• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি

নওগাঁর মহাদেবপুরে ড্রাগন ফল চাষ করে সফল হচ্ছেন প্রন্তিক কৃষক

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁ প্রতিনিধিঃ / ২০৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫

নওগাঁর মহাদেবপুরে বিদেশী ফল ড্রাগন চাষ করে সফল হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকরা। অন্যান্য ফসলের চেয়ে ঝুঁকিমুক্ত ও লাভজনক হওয়ায় দিনদিন এ ফল চাষের পরিধি বাড়ছে। কয়েক বছর আগেও ড্রাগন শহরের উচ্চবৃত্ত মানুষের কাছে পরিচিত ছিল। গ্রামের মানুষ বিদেশী এই ফল খাওয়া তো দুরের কথা তারা চিনতেনই না।

এখন এলাকায় চাষ হওয়ায় আস্তে আস্তে সবার কাছেই প্রিয় হয়ে উঠছে এ ফল। টকটকে লাল রং ও সুস্বাদু হওয়ায় শিশুরা এই ফল খুবই পছন্দ করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৩ সালের দিকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ শুরু হলেও এর অনেক পরে নওগাঁ জেলায় শুরু হয় ড্রাগনের চাষ।

প্রথমে পোরশা ও সাপাহার উপজেলার দুই একজন কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে ড্রাগন চাষ করে সাফল্য অর্জন করেন। পরে তাদের সাফল্য দেখে অন্যান্য উপজেলাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরাও ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় প্রায় ৭ হেক্টর জমিতে ড্রাগন চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় দিন দিন এর পরিধি বাড়ছে।

উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের ড্রাগন চাষী মো: আজাদুল হক বলেন, তিনি তিন বিঘা জমিতে ড্রাগন বাগান করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। তার ড্রাগন বাগানে মাত্র ১৬ মাসে ফল আসা শুরু হয়েছে। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন ড্রাগন বাগান থেকে ফল উঠছে।

তবে এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় ড্রাগনের দাম কম। প্রতি কেজি ড্রাগন ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তারপরও এ পরিমাণ জমিতে ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার ড্রাগন বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি। অর্থনৈতিকভাবে লাভ হওয়ার পাশাপাশি ড্রাগন বাগানের সৌন্দর্য নয়ন জুড়াচ্ছে এলাকাবাসীর। প্রতিদিনই অনেক মানুষ আসছেন তার ড্রাগন বাগানের সৌন্দর্য দেখতে।

উপজেলা কৃষি অফিসার হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ বলেন, এ এলাকার মাটি ড্রাগন চাষের জন্য খুবই উপযোগী। জমিতে একবার ড্রাগনের গাছ লাগালে সে গাছ থেকে কয়েক বছর ফল পাওয়া যায় এবং অন্যান্য ফসলের মত তেমন একটা পরিচর্চাও করতে হয়না। একারণে ড্রাগন চাষ বেশ লাভজনক। সারাবছর ড্রাগন পাওয়া গেলেও মে মাস থেকে অক্টোবর মাস পযর্ন্ত ড্রাগনের মৌসুম।

এ সময়ে প্রকৃতির নিয়মে স্বাভাবিকভাবেই ড্রাগন উৎপাদন হয়। অন্য সময় ড্রাগন উৎপাদনের জন্য চাষীরা নানা প্রকার হরমোন ব্যবহার করেন। তাই মৌসুমের সময় উৎপাদিত ড্রাগন বেশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও খাওয়ার জন্য নিরাপদ বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/