পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদী অভিযোগ করে বলেছেন, “১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ‘রাজাকার’ তকমা ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটেছে। এখন তাদের কিছু সাবেক বন্ধু সেই একই কৌশল অবলম্বন করছে।”
শুক্রবার (৮ আগস্ট) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাঠিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা বাজারে এক জনসংযোগ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “একুশ বছর জামায়াত ইসলামীকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করেছেন, কর্মসূচি পালন করেছেন—তখন তো কেউ রাজাকার বলেননি। হঠাৎ করে এখন জামায়াত রাজাকার হয়ে গেল কেন? এই প্রশ্ন আপনাদের বিবেকের কাছে রেখে গেলাম। এটি ভারতের শেখানো বিভাজনের রাজনীতি।”
মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, “যে ভাষায় একসময় আওয়ামী লীগ কথা বলতো, এখন দেখি আমাদের কিছু সাবেক বন্ধু সেই একই ভাষায় কথা বলছেন। আচরণেও কোনো পার্থক্য নেই। যদি ভাষা, আচরণ ও দমন-পীড়নের পন্থা না বদলায়, তাহলে এত আন্দোলনের কী দরকার ছিল?”
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “৫০০ মানুষের জন্য যখন ইমাম নির্বাচন করা হয়, তখন আপনি যাচাই করেন তিনি নামাজি কি না, তার পরিবার কেমন, তিনি দুর্নীতিগ্রস্ত কি না। অথচ কয়েক লাখ মানুষের প্রতিনিধি নির্বাচনে এই বিবেচনা করা হয় না। যদি না করা হয়, তাহলে আবার সেই জালেমদের হাতে পতিত হওয়া আমাদের তকদিরে লেখা থাকবে।”
এসময় তিনি জামায়াতে ইসলামীকে ‘সংসদীয় আসনের ইমাম’ হিসেবে উপস্থাপন করে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুর রাজ্জাক এবং উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।
https://slotbet.online/