• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

পৌরসভার রাস্তাগুলো যেন মৃত্যুফাঁদ

মোঃ শামীম হোসাইন / ১২১ Time View
Update : সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫

পিরোজপুর পৌরসভায় দুর্নীতি লুটপাট, অনিয়ম আর দলীয় কোন্দলের কারণে গত এক দশকে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। ফলে পৌর এলাকার অধিকাংশ সড়কই এখন পরিণত হয়েছে মৃত্যু ফাঁদে। খানাখন্দে ভরা এসব সড়কে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগের মাত্রা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শিকারপুর এলাকার সড়কটি দেখে মনে হবে গ্রামের কাঁচা রাস্তা। অথচ এটি মূল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিন শত শত যানবাহন ও হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তায় চলাচল করে।

১৮৮৫ সালে ইউনিয়ন থেকে পৌরসভায় উন্নীত হয় পিরোজপুর। ১৯৯০ সালে এটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে এখানকার নাগরিক সেবার মান রীতিমতো বিপর্যস্ত।

পৌরসভায় প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার রাস্তা থাকলেও তার মধ্যে ৯০ শতাংশই ভাঙা ও চলাচলের অযোগ্য। মাঝে মাঝে কিছু রাস্তা মেরামত করা হলেও নিম্নমানের কাজের কারণে তা কয়েক মাসেই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নির্মল কর্মকার বলেন, ‘দীর্ঘ ৮ থেকে ১০ বছর ধরে পৌর এলাকায় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। অধিকাংশ রাস্তা এখন চলাচলের একেবারে অনুপযোগী। প্রতিদিন ঘর থেকে বের হলে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন মানুষ।’

পৌরবাসীরা অভিযোগ করেছেন, কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতার কারণেই আজ এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা ধ্রুব লাল দত্ত বণিক বলেন, ‘বরাদ্দের অভাবে সড়ক সংস্কার সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নাগরিক সেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সড়ক মেরামত করে নাগরিক ভোগান্তি দূর করা হবে।’

বর্তমানে পিরোজপুর পৌরসভায় রয়েছে ৮০ কিলোমিটার কার্পেটিং রাস্তা, ৪৮ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, দেড় শতাধিক কিলোমিটার হেরিংবন্ড এবং ৬৮ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা। যার অধিকাংশই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/