• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে দলিল:দলিল লেখক সাইফুলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

মোঃ কামরুল হাসান লিটন / ২৭৫ Time View
Update : রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

ময়মনসিংহের গৌরীপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আবারও হেবা দলিল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এবারের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন দলিল লেখক মো. সাইফুল ইসলাম। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রে জালিয়াতির মাধ্যমে হেবা দলিল নিবন্ধন করেছেন এবং এর আগেও একই ধরনের আর্থিক দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন।

জানা গেছে, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে গৌরীপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে ৩১২২ নং একটি হেবার ঘোষণাপত্র দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়, যার দাতা ছিলেন মোছা. আয়েশা খাতুন এবং গ্রহীতা মো. রইছ উদ্দিন। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী দাতার জন্ম তারিখ ১২/০৮/১৯৫৫ দেখানো হলেও, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী তার প্রকৃত জন্ম তারিখ ১২/০৮/১৯৬৭। এই হিসাবে দাতা ও গ্রহীতা সহোদর ভাই-বোন হওয়া স্বত্বেও তাদের বয়সের ব্যবধান মাত্র ৪ মাস ১৭ দিন।

অভিযোগ রয়েছে, দলিল লেখক মো. সাইফুল ইসলাম দাতার জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে নতুন পরিচয়পত্র সৃজন করেন এবং সেই ভিত্তিতে দলিলটি রেজিস্ট্রি করান। এই ঘটনায় ২ নং গৌরীপুর ইউনিয়নের হিম্মতনগর ও ইসুলিয়া গ্রামের অসংখ্য বাসিন্দা জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও ২৯ মে ২০২২ সালে সাইফুল ইসলাম ২৪০৮ নং একটি সাব কবলা দলিলে শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে রেজিস্ট্রি করিয়েছিলেন। ওই ঘটনায় তাকে ৬ মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং পরে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ‘আন্ডারটেকিং’ দিয়ে পুনরায় কাজে যোগদান করার অনুমতি পান।

এব্যাপারে জানতে চাইলে দলিল লেখক মো. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে গৌরীপুর সাব-রেজিস্ট্রার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “আমি দাতা, গ্রহীতা ও দলিল লেখককে গত ৭ মে ২০২৫ তারিখে অফিসে হাজির হওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ দিয়েছি। তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

উল্লেখ্য, এই ঘটনাটি দলিল লেখকদের মধ্যে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতার দিকে ইঙ্গিত করছে, যা সাধারণ জনগণের সম্পত্তির নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় রাজস্ব উভয়ের জন্য হুমকি স্বরূপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/