• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

কিশোরগঞ্জে ৩২৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার

আসাউজ্জামান জুয়েল / ১৯১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি।আসছে ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে পালিত হবে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিতে ঢল নামবে অগণিত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের।বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম ঐতিহাসিক প্রতীক শহীদ মিনার। যে মিনার বাংলাদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও আন্দোলন-সংগ্রামের সাক্ষী।
কিশোরগঞ্জ জেলার ৩২৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো সেই শহীদ মিনার গড়ে তোলা হয়নি। ভাষা আন্দোলনের ৭৩ বছর আর স্বাধীনতার ৫৩ বছর পেরিয়ে গেলেও কিশোরগঞ্জের অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার গড়ে না ওঠায় শিক্ষার্থীরা শহীদ সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারদের আত্মত্যাগের ইতিহাস জানতে পারছে না। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানও করতে পারছে না। যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই তারা জাতীয় দিবসগুলোতে বাঁশ-কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করে তাতেই শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিচ্ছেন। এ নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সচেতনমহলের দাবি দ্রুত সরকারি নির্দেশনা বাস্তয়ায়নে সকল বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হোক।
জানা যায়,কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৩২৮ টি।এর মধ্যে শহীদ মিনার রয়েছে ১ হাজার ৫ টিতে। বাকি ৩২৩ টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই।স্থানীয়রা জানান, যেসব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই, তারা জাতীয় দিবসগুলোতে বাঁশ ও কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করে সেখানে ফুলেল শ্রদ্ধায় ভাষাশহীদ ও সংগ্রামীদের স্মরণ করেন। আবার কেউ কেউ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের শহীদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকেন। এতে দুর্ভোগসহ নানা সমস্যা হয়। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সব বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি করছেন সর্বস্তরের মানুষ।
সরেজমিনে কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই।
এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষার্থী অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার নির্মাণ করে দিবসটি পালন করে থাকেন। আবার কেউ কেউ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে গিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।ভাষা আন্দোলনের ৭৩ বছর পরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেন শহীদ মিনার নির্মাণ করা হলো না এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকরা জানান, বিদ্যালয়গুলোতে সরকারিভাবে শহীদ মিনার নির্মাণে বরাদ্দের অভাব রয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়গুলোতে শহীদ মিনার নির্মাণে বেসরকারিভাবে কেউ এগিয়ে আসে না। অনেক বিদ্যালয়ে জায়গা স্বল্পতার কারণে শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তারা বলেন, ভাষাশহীদদের স্মরণ করতে পর্যায়ক্রমে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার তৈরি করা হবে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুজিব আলম বলেন,আমাদের সরকারি নির্দেশনা রয়েছে যেন প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকে।সরকারের স্লিপ ফান্ড থেকে শহীদ মিনার নির্মাণের নির্দেশনা ছিলো।
কিন্তু তৎকালীন সময়ে জায়গা স্বল্পতা কিংবা স্থান নির্ধারণে জটিলতা অথবা কর্তৃপক্ষের যে নির্দেশনা সে নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের হয়তো বাজেট স্বল্পতা ছিলো যে কারণে আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রায় ৩২৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/