এম এ মোমিন, ক্রাইম রিপোর্টার: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। পরবর্তী সংসদীয় আসনটিতে কে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন—তা নিয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন অপপ্রচার ও কথিত ‘জনমত জরিপ’ চালিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা উঠে আসে, মির্জা ফখরুলের বড় মেয়ে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. শামারুহ মির্জা এবং তাঁর ছোট ভাই, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিনের মধ্যে কে পরবর্তী প্রার্থী হচ্ছেন।
তবে এসব প্রচারণাকে সম্পূর্ণ ‘মনগড়া ও অসময়োচিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি এখনো শূন্য হয়নি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখনো এই আসনের এমপি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর শপথ ও গেজেট প্রকাশ হলে আসনটি আনুষ্ঠানিকভাবে শূন্য ঘোষণা করা হবে। এর আগে প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা বা জনমত জরিপ করার কোনো ভিত্তি নেই।”
পরিবারের অবস্থান পরিষ্কার করে মির্জা ফয়সল বলেন, “আমাদের পরিবারের মধ্যে প্রার্থী হওয়া নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সামা একজন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী এবং প্রবাসী; তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় নন। অন্যদিকে আমি জেলা বিএনপির দায়িত্ব পালন করায় স্বাভাবিকভাবেই আমার নাম আলোচনায় আসতে পারে। তবে এই ধরনের মনগড়া গুঞ্জন সাধারণ ভোটারদের বিব্রত করছে, যা মোটেও ঠিক নয়।”
তিনি আরও জানান, শূন্য আসনে কে নির্বাচন করবেন—সেই সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দলীয় নীতিনির্ধারকরা। তাই সামাজিক মাধ্যমের এসব বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য তিনি সর্বস্তরের ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী জানান, ড. শামারুহ মির্জা প্রবাসী এবং দলীয় কোনো পদে না থাকায় এই মুহূর্তে তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ কম। তবে আসন শূন্য হলে জেলা বিএনপির সভাপতি ও পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ মির্জা ফয়সল আমিনই চূড়ান্তভাবে দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
https://slotbet.online/