১ আগস্ট ২০২৬: সিলেট থেকে জাফলং পর্যটন এলাকা পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণ এবং তামাবিল ও সন্নিহিত এলাকায় একটি আধুনিক পর্যটন হাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে শনিবার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সরকারের এই মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিলেট-তামাবিল অঞ্চলে রেললাইনের বিস্তৃতির পাশাপাশি উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে মন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল জাফলং, তামাবিল ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রস্তাবিত রেললাইনের বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাস্তা যদি হতে পারে, রেললাইনও হবে; অসম্ভব বলতে কিছু নেই। তবে এটি বাস্তবায়নে সরকারের কিছু নিজস্ব পদ্ধতি রয়েছে, যা সরেজমিন পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে এসেছি। বিষয়টি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে, বিস্তারিত আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
প্রস্তাবিত রেললাইন চালু হলে পর্যটকদের সুবিধা প্রসঙ্গে প্রশ্নে মন্ত্রী জানান, পর্যটকদের ভালো রাস্তা, উন্নত পার্কিং, পর্যাপ্ত ওয়াশরুম, খাবার পানি ও নিরাপত্তার যে ঘাটতি রয়েছে উন্নত সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপিত হলে তার স্থায়ী সমাধান হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সমস্যা আপনারা চিহ্নিত করেছেন, তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমাদের।
পাথর কোয়ারী পুনরায় চালু করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়ার বিষয়ে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মহামান্য হাইকোর্টে এ সংক্রান্ত কিছু আইনি বিষয় ঝুলন্ত থাকায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা নিষ্পত্তির কাজ শুরু হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই পাথর উত্তোলন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পাবলিক বাসে এবং ট্রেনে সফর প্রসঙ্গে সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করেই তিনি জ্বালানি সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখছেন।
পরবর্তী সময়ে মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ‘সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের কাজও সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
উচ্চপর্যায়ের এই পরিদর্শন দলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল আহসান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোঃ আফজাল হোসেন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মইনুল হকসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
https://slotbet.online/