কুমিল্লার দেবিদ্বারে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ধারালো কাঁচির কোপ ও পিটুনিতে গুরুতর আহত হয়েছে মাত্র সাড়ে তিন বছরের এক শিশু। শিশুটির নাম মো. হোসাইন, সে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের হাজী মোহাম্মদ সুমন সরকারের ছেলে। এই বর্বরোচিত হামলায় প্রতিবেশী মো. হাসান (৩৫), তার স্ত্রী মোসাঃ মাহমুদা আক্তার (৩২) এবং ছেলে নাফি (১৫) জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকালে রসুলপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রসুলপুর গ্রামের হাজী মোহাম্মদ সুমন সরকারের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. হাসানের সামাজিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন বিকালে শিশু মো. হোসাইন বাড়ির অন্যান্য শিশুদের সাথে হাসানের বসতবাড়ীর উঠানে খেলাধুলা করছিল।
এই সময় অভিযুক্ত মো. হাসান হাতে থাকা ধারালো কাঁচি দিয়ে হঠাৎ করেই শিশু হোসাইনের মাথার পিছনে ডান পাশে কোপ মারে। এতে শিশু হোসাইন গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় হাসানের ছেলে নাফি ও স্ত্রী মোসাঃ মাহমুদা আক্তার ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে আবারও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
শিশুটির ছোট চাচা মো. ইমরান (১৭) ভাতিজাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে আহত শিশু হোসাইন ও তার চাচাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত হোসাইনের বাবা সুমন সরকার এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “পারিবারিক বিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু সাড়ে তিন বছরের একটি শিশুকে এভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে যারা আহত করতে পারে, তাদের আমি মানুষ বলে মনে করি না। তারা আমার ছোট শিশুকে হত্যার উদ্দেশ্যে এভাবে মেরেছে। আমি প্রশাসনের কাছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, “আমরা এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।
https://slotbet.online/