• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় জোর পূর্বক ভিজিএফ কার্ড নেওয়ার চেষ্টা! অবসরে গেলেন র‍্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি মোঃ গোলাম রসুল নাগরপুর প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল: শান্তি ও ঐক্যের বার্তা সাইনিং সিতোরিউ কারাতে একাডেমির ছাত্র-ছাত্রীদের কারাতে বেল্ট, সার্টিফিকেট ও কারাতে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হরিপুর টেংরিয়ায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টার এর মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপনের কার্যক্রম উদ্বোধন রক্তাক্ত জনপদ খুলনায় আবার ও প্রকাশ্যে গুলিতে যুবদল নেতা নিহত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন অ্যাড. এম এ মজিদ বিরলের পল্লীতে জমি-জমার বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২

ধ্বসে পড়া ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেই কোন দপ্তরের, গ্রামবাসীর দূর্ভোগ

Reporter Name / ১২৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫

বাংলার দূত প্রতিবেদক : কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাউবো’র সুষ্ঠু তদারকির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইচ্ছেমতো খনন কাজ করায় নদীর উপর নির্মিত ব্রিজগুলো ভেঙে পড়েছে। এসব ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচলকারী গ্রামের হাজার হাজার মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।ভেঙ্গে পড়া এসব ব্রিজে নিজস্ব উদ্যোগে চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সাঁকো তৈরি করলেও ইতোমধ্যে জরাজীর্ণ হয়ে পরায় তা আবারও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। ভোগান্তিতে পরেছে এলাকার মানুষ। প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-খাট দুর্ঘটনা। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে মানুষজনকে চরম দূর্ভোগে পরতে হবে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ডেল্টা প্লান-২১০০ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিবেশ, বন্যা, সেচ, মৎস্য চাষ, নাব্যতা, হাঁস মুরগীর খামার, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নসহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পূনঃখনন প্রকল্পের আওতায় ব্রহ্মপুত্র নদের সংযোগস্থল হাতিয়া ইউনিয়নের বাগুয়া অনন্তপুর বাজার থেকে পান্ডুল বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৩০ কিলোমিটার বামনী নদী খনন করা হয়। চারটি গ্রুপে খনন কাজের দায়িত্ব পায় রংপুরের হাসিবুল হাসান দুইটি গ্রুপ, কুষ্টিয়ার এসই-এনইউএম-জেভি একটি ও পটুয়াখালীর মিজানুর রহমান নামের ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হয় প্রায় ১৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। নদীটি খনন করার সময় বামনী নদীর উপর নির্মিত প্রায় ২৫টি ব্রিজের সাতটিই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সে সময় পান্ডুল ইউনিয়নের কাগজী পাড়া এলাকায় নির্মিত একটি পুরাতন ব্রিজ পানির স্রোতে ধসে পড়ে। ফলে এ ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলকারী আমভদ্রপাড়া, জটিয়াপাড়া, চাকলিরপাড়সহ আশপাশের প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঁঠ দিয়ে বিকল্প সেতু তৈরি করা হয়।

এছাড়া মাঝবিল এলাকার গঙ্গারাম নদীর উপর নির্মিত ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের নির্মিত ব্রিজটির উইং ওয়ালের মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফিজানুর রহমান বলেন, নদীর উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজগুলো পুনর্নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, এসব ব্রিজ নির্মাণের দায়িত্ব উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট অফিসকে অবহিত করা হয়েছে।
বাংলার দূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/