খুলনার খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়ী গেট বাস স্ট্যান্ডে শুক্রবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় খানজাহান আলী থানা বিএনপির উদ্যোগে দেশের চলমান রাজনৈতীক প্রেক্ষাপট ও দীর্ঘ্য ১৬ বছরের রাজনৈতীক অচলবস্থা নির্যাতন-নিপীড়ন ও হামলা-মামলায় জর্জরিত বিএনপি নেতা কর্মীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশসহ বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের মধ্যে তারা নতুন একটি বাংলা উপহার পেয়েছেন মর্মে বক্তব্য দেন। তারা বলেন, সারা বাংলার মানুষ একটা শ্বাসরূদ্ধকর অবস্থার মধ্যদিয়ে জীবন যাপন করেছে। এমনি একটি অবস্থার মধ্য থেকে বাংলাদেশের মানুষকে মুক্ত করবার জন্য আমাদের দেশের তরুন ও ছাত্র সমাজ বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ১৭ ই জুলাই থেকে আন্দোলন গড়ে তোলে এবং অনেক রক্ত ও কচি প্রাণ ঝড়িয়ে রাজপথ রঞ্জিত করে অনেক মায়ের কোল খালি করে ৫ই আগষ্ট আওয়ামী সরকারের পতন ঘটায় এবং শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
উক্ত কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল সহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত হয়ে শান্তি সমাবেশকে সাফল্য মন্ডিত করে তোলে।
সভায় বক্তারা শেখ হাসিনা সহ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সকল দূর্নিতীগ্রস্ত ও অত্যাচারী এম,পি, মন্ত্রী ও নেতাদের আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার সাপেক্ষে শাস্তির দাবি জানান। তারা আওয়ামী নেতাদের সতর্ক করে বলেন, আপনারা যদি মনে করেন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আপনারা এই দেশটাকে আবারও অশান্ত করে তুলবেন তাহলে আপনারা ভূল করবেন। কারন আমরা আর আপনাদের সেই সুযোগ দেবনা উপরোন্ত শক্ত হস্তে তা দমন ও প্রতিহত করবো। আজ ১৬ টি বছর আপনার আমাদের মাঠে নামতে দেননি আবার ঘরেও থাকতে দেননি। মামলায় মামলায় জর্জরিত করে ফেলেছেন। অতিষ্ট করে ফেলেছেন আমাদের জীবনটাকে। আমরাও বলতে চাই আগামী ৩০ বছরেও আমরা আপনাদের কে মাঠে নামতে দেবোনা। আজকে আপনাদের নেতার মৃত্যু বার্ষিকী পালন করলেন না, পালিয়েছেন কেনো, সেদিন পুলিশ সাথে নিয়ে বহুত ক্ষমতা দেখিয়েছেন, আজকে দেখি জনগণের সাথে লড়াই করে কিভাবে টিকে থাকতে পারেন। আমাদের যে সমস্ত ছাত্ররা বৈসম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলো ফেরার সময় আপনারা তাদের কে এই ফুলবাড়ী গেটে ফেলে নির্যাতন করেছেন তাদের কে বলতে চাই আপনাদের নেত্রীর সাথে ভারতে পালিয়ে যান এখানে আসার চেষ্ট করিয়েন না।
গত বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগর দলিয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় মোল্লা সোলায়মান ও গোলাম কিবরিয়াকে বহিস্কৃত নেতা বলায় তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মোল্লা সোলায়মান বলেন আমরা বহিস্কৃত নই, আমরা রাজপথের নেতা, এই রাজপথে আমরা রক্ত ঝড়িয়েছি, প্রয়োজনে আবারো ঝড়াবো। আমি মহানগরের সহ-সভাপতি আমাকে বহিস্কার করতে হলে কেন্দ্র থেকে করতে হবে। মহানগরের কোনো নেতা আমাকে বহিস্কার করার ক্ষমতা বা অধিকার রাখেনা।
সর্বশেষে শহীদ জিয়া, বৈসম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত ও খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়ার মাধ্যমে শান্তি সমাবেশটির সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মীর কায়ছেদ আলী, রফিকুল ইসলাম শুকুর, মুন্সি আঃ রব, মোল্লা সোলায়মান, গোলাম কিবরিয়া প্রমূখ।
https://slotbet.online/