গত ৫ই আগষ্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দেশের বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এদিন বিয়ানীবাজার থানায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে থানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যার কারণে দীর্ঘ একসাপ্তাহ থানা কার্যক্রম বন্ধ ছিলো।
বুধবার (১৪আগষ্ট) বিকালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, যুব ও ছাত্র জমিয়ত নেতৃবৃন্দ বিয়ানীবাজার থানা পরিদর্শন করেছেন।
এসময় জমিয়ত নেতৃবৃন্দ বলেন: ছাত্র আন্দোলনের সফলতাকে ঘিরে অনেক সুযোগ সন্ধানী দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে থানায় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। থানা থেকে লুটকৃত মালামাল ফিরিয়ে দেওয়ার আহবান জানানো হয়।
জমিয়ত নেতৃবৃন্দ উপজেলায় শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবধরণের সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন। এসময় লুট হওয়া বিভিন্ন জিনিসপত্র জমিয়তের সহযোগিতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় বিয়ানীবাজার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব দুলাল ধর জমিয়ত নেতৃবৃন্দের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং উপজেলায় শান্তি শৃঙ্খলা আনতে জমিয়তের সহযোগিতা কামনা করেন।
থানা পরিদর্শনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার উপজেলার সভাপতি মাওলানা আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাও, আব্দুল হক কাসিমী, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাও, আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, পৌর জমিয়তের সহ সভাপতি মাও, আবু ইউসুফ, উপজেলা জমিয়তের ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হাঃ আব্দুল্লাহ, পৌর যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন,সিলেট জেলা ছাত্র জমিয়ত নেতা ছিদ্দিক আলম, উপজেলা ছাত্র জমিয়তের সভাপতি জাহিদ আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক এবাদুর রহমান, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ ছাত্র জমিয়তের সভাপতি ইমদাদ আহমদ, মোল্লাপুর ইউনিয়ন ছাত্র জমিয়তের সভাপতি রেজাউল করিম, যুবনেতা কামরুল ইসলাম, যুব নেতা সাইদ বিন এখলাস, মুশফাকুর রহমান, আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ প্রমুখ।
https://slotbet.online/