আজ ২ই আগস্ট শনিবার পুনরায় গতবারের ভাঙনের স্থানে পুনরায় ভেঙে পরশুরাম ও ফুলগাজীর বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়!
একই স্থান দুবার করে ভাঙন ও নির্মাণ করতে গিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় হয় বারবার। অবৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার নিষ্ফল গবেষণার প্রতিফলনে জনপদের মানুষ হয় নিষ্পেষিত!
মন্ত্রী, সাংসদ, জনপ্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এলেন, চলে গেলেন, হয়তোবা আবারো আসবেন চিড়ামুড়ি নিয়ে তবুও নদীর উপকূলের বাসিন্দাদের ভাগ্য সিঁকেয় উঠবে!
ফেনী ফুলগাজী ও পরশুরাম এর মহুরি নদীর বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দায়ী কে নিবে? অসহায় জনগণের হা হা কার যেন দেখার কেউ নেই! সচেতন নাগরিক রাজনৈতিক নেতাদের কাজ ওনারা ওনাদের সময় মতো বন্যার পানি নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করবে এটাই স্বাভাবিক?
জনগণের অর্থ সিন্ডিকেটের
পকেটে নয় তো!
বর্ষা মৌসুমে ফেনীর উত্তর জনপদে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর ভাঙন সৃষ্টি হয়! শত বছরে ধরে এ ভাঙ্গাগড়া দেখতে দেখতে এ অঞ্চলের মানুষ অভ্যস্ত!পানি ধারণ ক্ষমতা নদীগুলোর নেই বলে গতিপথ পরিবর্তন করে চর জেগে ওঠে। দখল, ঝোপ ও বাঁশঝাড় গজানো সহ বালি উত্তোলনের কারণেও এ নদী শোষিত হয়ে বোবাকান্না করে যায় প্রতি বর্ষায়! ভাঙন রোধে শুকনো মৌসুমে রহস্যজনক কারণে নদীর তলদেশ খনন, বাঁধ নির্মাণ করা হয় না!
গত জুলাই মাসে মহুরী,সিলোনীয়া নদীর ভাঙনগুলো চলমান বর্ষায় পরিকল্পনা নিয়ে দরপত্রের কথিত নিয়মানুসারে নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় চলমান বর্ষায়!
https://slotbet.online/