• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি

চট্টগ্রাম আদালতের ৯ বস্তা নথি উদ্ধার, বিক্রি হয়েছিল কেজি দরে

Reporter Name / ২০৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫

বাংলার দূত প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম আদালতের চুরি হওয়া ৯ বস্তা মামলার নথি উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ওই নথি ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কোতোয়ালী থানা এলাকা থেকে এসব নথি উদ্ধার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম।

পুলিশ জানায়, চুরি যাওয়া নথিগুলো পাথরঘাটা এলাকার একটি ভাঙ্গারির দোকানে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়। গত দুই দিনের আদালতের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে। পরে তাকে আটক করা হয়।

তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে হারিয়ে যাওয়া ৯ বস্তা নথি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, আটক ব্যক্তি আদালত চত্বরে চা বিক্রি করতেন।

এর আগে, চট্টগ্রাম আদালতের ১ হাজার ৯১১টি মামলার নথির (কেস ডকেট বা সিডি) খোঁজ না পেয়ে গত রোববার (৫ জানুয়ারি) কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম মহানগর পিপি কার্যালয়ে ২৮ থেকে ৩০টি আদালতের কেস ডকেট রক্ষিত ছিল। পিপি কার্যালয়ে জায়গা-স্বল্পতার কারণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে পিপি কার্যালয়ের সামনের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তায় ১ হাজার ৯১১টি মামলার কেস ডকেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল।

আদালতের অবকাশকালীন ছুটির সময় অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নথিগুলো হারিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। বিষয়টি থানায় ডায়েরিভুক্ত করে রাখার জন্য আবেদন করা হলো।
বাংলার দূত/এআর


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/