খান মোঃ আতিকুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বৃষ্টির ফলে আমাদের চারপাশে পরে থাকা বিভিন্ন পাত্র, ডাবের খোসা, পিলিথিন ও পানি ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন অপ্রয়োজনীয় পড়ে থাকা বস্তুর ভিতর পানি জমে সহজেই ও অতিমাত্রায় বংশবিস্তার করছে এই ডেঙ্গুর জীবানু। আমাদের অসাবধানতা, অসচেতনতা ও বে-খেয়ালের ফলই হচ্ছে ডেঙ্গু বিস্তারের অন্যতম কারন। আমরা আমাদের ব্যবহারের অনুপযোগী ও অব্যবহৃত যে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় বস্তু যেমন, দই এর মালসা, বিভিন্ন মোটা পলিব্যাগ বা প্যাকেট, ভেংগে যাওয়া বাটি, হাড়ি, কলস ইত্যাদি সহ যেকোনো পানি ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন বস্তুকে বাহিরে ফেলে দেই এবং এর ভেতর বৃষ্টির পানি জমে সহজেই বংশ বিস্তার করছে ডেঙ্গু। এছাড়া ও রয়েছে ফ্রিজে জমা পানি ও আমাদের শোভা বর্ধনে ব্যবহৃত ফুলের টবে জমা পানি। সতর্কতা ও জন-সচেতনতাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার।
পরিচালক স্বাস্থ্য এর দপ্তর, খুলনা, বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ মোঃ মনজুরুল মুরশিদ কর্তৃক প্রাপ্ত এক রিপোর্টে জানাযায়, বিগত ২৪ ঘন্টায় খুলনা সদরে ৩০, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯, সাতক্ষীরা সদর ৩, সাতক্ষীরা মেঃ কঃ হাঃ ২, যশোর ১৩, ঝিনাইদহ ২১, মাগুরা ৩, নড়াইল ১৪, কুষ্টিয়া ১৭, চুয়াডাঙ্গা ২ ও মেহেরপুর ৫ জন সর্বমোট ১১৯ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য এই সমস্ত জেলা সরকারী হাসপাতালে ভার্তি হয়। তবে মৃত্যুর কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এবছরে খুলনা বিভাগে সর্বমোট আক্রান্ত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা খুলনা সদরে ৬৯১, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ২৮০, বাগেরহাট ৪৬, সাতক্ষীরা সদর ৫৪, সাতক্ষীরা মেঃ কঃ হাঃ ২৮০, যশোর ৪৭৩, ঝিনাইদহ ১৫৭, মাগুরা ৮৬, নড়াইল ২৫২, কুষ্টিয়া ২৫৮, চুয়াডাংগা ১৩ ও মেহেরপুর ৩১২ জন সর্বমোট ২৬৭৯ জন। এর ভেতরে সুস্থ্য ২৩৫৮ জন, মৃত্যু রোগীর সংখ্যা ১১ জন ও বর্তমানে বিভিন্ন জেলার সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে ২৭৪ জন।
তবে খুলনা বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য এর তথ্য মতে বিগত তিন দিন ধরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে। চলতি মাসের ১ তারিখে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা সরকারী হাসপাতালে মোট নতুন ভর্তিকৃত ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা ছিলো ৮১, ২ তারিখে নতুন ভর্তি হয় ৯২ জন যা ৩ তারিখ অর্থাৎ আজ এসে দাড়িয়েছে ১১৯ জনে। এই তিনদিনে নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে।
https://slotbet.online/