• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ডিমলায় ভাংঙন আতঙ্কে তিস্তা পাড়ের মানুষ

আব্দুর রাজ্জাক / ১৭৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪

আব্দুর রাজ্জাক, ডিমলা , নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেলেও নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যার ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। কিন্তু এখনও তলিয়ে রয়েছে চরাঞ্চলের আমন ক্ষেত ও নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পথঘাট। ফলে এখনও পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার। এর মধ্যে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। তিস্তার পানি কমায় ইতোমধ্যে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই, পূর্ব ছাতনাই, খগাখরিবাড়ি, টেপাখরিবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে নদী ভাঙনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা। খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছোটখাতা গ্রামের শামীম আহমেদ বলেন, পর পর কয়েকবার বন্যার কবলে পড়ে ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। আর চলতি বন্যায় চরাঞ্চলে থাকা তিন বিঘা জমির আমন ক্ষেত এখনও পানিতে তলিয়ে আছে। শেষ এই সম্বলটুকু ঘরে তুলতে না পারলে পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। আর যেটুকু জমি ছিল গত বন্যায় সেটুকুও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ঝারসিংহেশ্বর এলাকার হযরত আলী বলেন, হঠাৎ করে বন্যা হওয়ায় গরু ছাগলের খাদ্যের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আর যেকোনো মুহূর্তে আবারও বাড়তে পারে পানি এমন আতঙ্ক বিরাজ করছে সবার মধ্যে। তবে গত কয়েকদিন ধরে পানিবন্দি থাকলেও সরকারি কোনো ত্রাণ সহায়তা পাইনি আমরা।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের বাইশপুকুর এলাকার আব্দুল করিম বলেন, পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন এখানকার এলাকাবাসী। যেকোনো মুহূর্তে দেখা দিতে পারে বড় ধরনের ভাঙন। ইতোমধ্যে অনেকের বাড়িঘর ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ডিমলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মেজবাহুর রহমান বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য ৩০ টন চাল ও ১ হাজার ৫৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আতিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারেজের সবকটি (৪৪) জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পানি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। এ ছাড়া নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর সার্বক্ষণিক রাখা হচ্ছে। এখন আর পানি বাড়ার সম্ভাবনা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/