সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মগধরা – মাইটভাংগা ফেরিঘাট সড়কের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে বাংলা বাজার লায়ন মোস্তাফিজুর রহমান স. প্রা.বি. থেকে পূর্বে জেলেপাড়া পর্যন্ত ২০১৭-১৮ সালে উপজেলা পরিষদ থেকে ১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সংস্কার করা হলে ও এই অংশ টুকু খানাখন্দকে বড়া, আবার জেলে পাড়া থেকে পূর্বে এক কিলোমিটার সম্পন্ন কাঁচা। তার পূর্বে থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কে সহস্রাধিক ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষার শুরুতেই এ সড়কটি পরিনত হয় মৃত্যুকূপে। কৃষি প্রাবণ গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক, পিকআপ চলাচল বন্ধ প্রায়। ফলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামগঞ্জের হাট বাজারগুলোর মালামাল সরবরাহ করা এখন ভোগান্তি হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বাংলা বাজার থেকে বেড়িবাঁধ সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ কিলোমিটার এ সড়কটির অবস্থান হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ সড়কে চলাচল করে থাকেন। ওই তিন কিলোমিটার সড়কের মধ্যে সেলিমের ড্রাগন বাগান থেকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়কে ছোট-বড় পাচ শতাধিক গর্তের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। ফলে মালবাহী ট্রাক, ট্রাক্টর বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে মারাত্মক ভাবে। অনেক সময় গর্তে গাড়ি আটকে যাওয়ায় ধাক্কা দিয়ে গাড়ি উঠাতে হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যাত্রীদের গাড়ি থেকে নেমে গর্ত পার হতে হচ্ছে। এ্যাম্বুলেন্সের রোগীদের সবচেয়ে বেশি দূর্ভোগ পড়তে হচ্ছে ।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা প্রকৌশলী আবদুল আলীম বলেন মগধরা- মাইটভাংগা ফেরিঘাট সড়কটি কখন সংস্কার করা হয়েছে তা সুনির্দিষ্ট করে বলা না গেলে ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান সময়কালে এ সড়কটির কিছু অংশ পাকাকরণ করা হয়েছে, যা এখন খানাখন্দে গর্তে ভড়া।
https://slotbet.online/