• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
প্রয়োজনে টিকেট দিব, তবু দেশে আসেন: শেখ হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ঢাকায় গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে আসার পথে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু; পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও চাকরির ঘোষণা স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ৭ নভেম্বর; নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-৭ বিরলের সাব্বীর হোসেন রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ গ্রাম পুলিশ নির্বাচিত বিরলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কলারোয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে শফিউল আলম শফির মতবিনিময় রেমিটেন্স যোদ্ধারা প্রতি সেক্টরে হয়রানির শিকার হচ্ছে – মনিরুল হক চৌধুরী দেবিদ্বারে পুলিশের অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার

মোঃ দেলোয়ার হোসেন: / ৫ Time View
Update : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬

২২ কার্তিক (৭ নভেম্বর): প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে সরকার কাজ করছে। একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ।

আজ শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতি রক্ষার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পরবর্তী সময়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি রচিত হয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন জাতীয় অঙ্গীকার।

দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষা, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নেও এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এবং বহির্বিশ্বে দেশের মর্যাদার গর্বিত প্রতিনিধি। তাঁদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও দেশপ্রেমের এক অনন্য প্রতীক। জাতীয় সংকট মোকাবিলায় জনগণের ঐক্য ও দেশপ্রেমের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দেশপ্রেম, গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও উন্নয়নের অঙ্গীকারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের পরিচয় একটাই আমরা বাংলাদেশি; আমাদের স্বার্থ একটাই বাংলাদেশের স্বার্থ; আমাদের অঙ্গীকার একটাই সবার আগে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রবাসীদের অবদানের প্রশংসা করেন।
এর আগে দূতাবাস চত্বরে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধান অতিথি মো: ইসমাইল জবিউল্লাহ। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারী, দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/