এম এ মোমিন,ক্রাইম রিপোর্টার: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পূর্ব গোয়ালপাড়া এলাকায় শতবছরের পুরোনো পীরস্থানের জমি দখল, কবর ও ঘর ভাঙচুর এবং অবৈধভাবে পাকা প্রাচীর নির্মাণের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সোহেল রানা বাদী হয়ে মোঃ কাশেম আলী, মোছাঃ রাবেয়া বেগম, মোঃ নূর নবী, মোঃ রশিদুল ইসলাম, মোছাঃ হেনা বেগম, মোঃ জোবায়দুর রহমান ও মোঃ সাইদুর রহমান ওরফে বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সিএস ও এসএ খতিয়ানভুক্ত পীরস্থানের ধর্মীয় ও সর্বসাধারণের ব্যবহার্য প্রায় পাঁচ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মুসলিমরা ব্যবহার করে আসছেন। তবে অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজশে ভুয়া দলিল ও নামজারির মাধ্যমে জমিটি দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২১ আগস্ট রাত সাড় ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অবৈধভাবে পীরস্থানে প্রবেশ করে সেখানকার ঘর ও কবর ভাঙচুর চালায় এবং রাতেই প্রায় তিন শতক জমি দখল করে পাকা প্রাচীর নির্মাণ করে। পরদিন ২২ আগস্ট দুপুরে স্থানীয় এলাকাবাসী প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্তরা তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং পুলিশকে জানালে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখায়। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের দাবিতে অভিযোগের সঙ্গে খতিয়ান, দলিল ও স্থানীয়দের স্বাক্ষরযুক্ত গণপিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে জমি কেনার বিষয়টি দাবি করে অভিযুক্ত কাশেম আলী জানান, নিয়ম মেনেই জমি ক্রয় ও খারিজ করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পীরস্থানের জমি দখল ও ভাঙচুর সংক্রান্ত একটি গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে; বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
https://slotbet.online/