• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পিরোজপুরে মানব পাচার মামলায় ৫ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড

মো. শামীম হোসাইনঃ / ৮৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

মো. শামীম হোসাইন: পিরোজপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) পিরোজপুরের মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন–মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘটিচোরা এলাকার মো. কুদ্দুস, হবিগঞ্জের বাহুবল এলাকার মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা, চাঁদপুরের শাহরাস্তি এলাকার রবিউল আলম ওরফে মানিক, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং কক্সবাজারের কুতুবদিয়া এলাকার পলাশ চৌধুরী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ -এর ৭ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন অভিযোগে মঠবাড়িয়া থানায় ২০১৪ সালের ৩ জুন মামলাটি দায়ের করা হয়। পরে মামলাটি পিরোজপুরের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল।
রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে প্রত্যেককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত থাকায়, তাদের সাজা পরোয়ানা মূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাজা ঘোষণার দিন থেকেই তাদের দণ্ড কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, পলাতক তিন আসামি মো. কুদ্দুস, মো. কাসেম ওরফে কাদের মোল্লা এবং রবিউল আলম ওরফে মানিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পলাতক আসামিদের সাজা পরোয়ানা জারি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন, নারী ও শিশু অপরাধ ট্রাইবুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মানস কুমার ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/