আবু বক্কর সিদ্দিক স্বপন : ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তিনি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে এম এ মজিদ বলেন, এই হাসপাতালে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে আমি পরিচালনা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এখন থেকে এই হাসপাতালে কোনো ধরনের দুর্নীতি হতে দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ হাসপাতালে এসে যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হন, সে জন্য একটি অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হবে। সেখানে রোগী ও স্বজনরা তাদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরে দুপুর ১টার দিকে তিনি কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং রোগী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় এম এ মজিদ বলেন, নোটিশ করে কোনো প্রতিষ্ঠানে ঢোকা মানেই চা-কফি ও ফুলের মালা নেওয়ার আয়োজন—এটা আমার পছন্দ নয়। আমি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত অবস্থা সরেজমিনে দেখতে চাই।
পরিদর্শনের শুরুতেই তিনি একজন রোগীকে ভুল তথ্য দিয়ে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখেন। পরে তিনি রোগীকে বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝিয়ে দেন এবং নির্ধারিত স্থান থেকে ওষুধ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
এরপর তিনি চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্রের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এম এ মজিদ জানান, ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালনা কমিটিতেও তিনি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেবার মান উন্নয়ন এবং অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
https://slotbet.online/