এম এ মোমিন, ক্রাইম রিপোর্টার: ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লী উপজেলার শুখানপুখুরী ইউনিয়ন মহিলা দলের সভানেত্রী ফাতেমা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রকাশিত ‘চাঁদা দাবি ও দোকান উচ্ছেদ’ সংক্রান্ত খবরের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। বকেয়া দোকান ভাড়া চাওয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘চাঁদাবাজি’ হিসেবে রূপ দিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে লিখিত বক্তব্যে দাবি করেছেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে ফাতেমা আক্তার জানান, ওকড়াবাড়ী বাজারসংলগ্ন তাঁর বসতভিটার নিজস্ব জায়গায় আবুল হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে মাছ ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে ২০২৫ সালের ১৬ মে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, কোনো জামানত ছাড়াই মাসিক ৫০০ টাকা ভাড়ায় দোকান পরিচালনা করার কথা ছিল।
চুক্তির পর প্রথম ৩ মাসের ভাড়া পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে দীর্ঘদিন যাবৎ ভাড়া দেওয়া বন্ধ রাখেন ওই ব্যবসায়ী। গত ৪ আগস্ট বিকেলে বকেয়া ও চলতি মাসের পাওনা ভাড়া চাইতে গেলে আবুল হোসেন ভাড়া না দিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেন।
মহিলা দল নেত্রী অভিযোগ করে বলেন, “আমি কারও দোকান উচ্ছেদ করিনি এবং মাছ রাস্তায় ফেলে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনাও ঘটেনি। উল্টো বিবাদী পক্ষ আমার সঙ্গে অকত্থ ভাষায় গালিগালাজ ও চরম অভদ্র আচরণ করেছে। পাওনা ভাড়া চাওয়াকে চাঁদাবাজি বানিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে অপদস্ত করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, একটি মহল একতরফাভাবে এবং তাঁর কোনো বক্তব্য না নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কতিপয় সংবাদমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে। ভাড়া চুক্তির লিখিত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও তা যাচাই না করে সংবাদ প্রকাশ করায় তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রকাশিত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ফাতেমা আক্তার সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে চুক্তিপত্রসহ প্রকৃত তথ্য পুনরায় যাচাই-বাছাই করে নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের বিনীত অনুরোধ জানান। প্রয়োজনে তিনি এ সংক্রান্ত সব আইনগত ও লিখিত প্রমাণ পেশ করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
https://slotbet.online/