• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি

সুলতান মসজিদ: সিঙ্গাপুরের বুকে জ্বলজ্বলে ইসলামি স্থাপত্যের রত্ন

মো: রেজাউল করিম / ১০৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

সিঙ্গাপুর ভ্রমণে ইসলামি ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে পর্যটকদের নজর কাড়ে সুলতান মসজিদ। রোচোর জেলার কম্পুং গ্ল্যামের মাসকট স্ট্রিটের উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত এই মসজিদটির নামকরণ করা হয় জোহরের সুলতান হুসেন শাহের নামে। ১৯৭৫ সালে এটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভের মর্যাদা পায়।

১৮১৯ সালে ব্রিটিশদের কাছে সিঙ্গাপুর হস্তান্তরের পর সুলতান হুসেন ও টেমেংগং আব্দুল রহমান ক্ষমতার বিনিময়ে সম্পদ লাভ করেন এবং কাম্পুং গ্ল্যামে বসবাসের অনুমতি পান। মালয় ও মুসলিম অধ্যুষিত এই এলাকায় সুলতান হুসেন তাঁর পরিবার ও অনুসারীদের নিয়ে প্রাসাদ নির্মাণের পাশাপাশি বড় একটি মসজিদ করার সিদ্ধান্ত নেন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থায়নে ১৮২৪ থেকে ১৮২৬ সালের মধ্যে পিরামিড আকৃতির ছাদসহ প্রথম মসজিদটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে নতুন ভবন নির্মাণের সময় মূল অংশ সংস্কার করা হয়।

সুলতানের নাতি আলাউদ্দিন শাহ ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত মসজিদ পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেন পাঁচজন সম্প্রদায় নেতার কাছে। ১৯১৪ সালে সরকার আরও ৯৯৯ বছরের ইজারা নবায়ন করে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দল থেকে প্রতিনিধি নিয়ে নতুন বোর্ড অব ট্রাস্টি গঠন করা হয়।

২০ শতকের শুরুতে সিঙ্গাপুরে মুসলিম জনসংখ্যা, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়তে থাকায় পুরোনো মসজিদটি স্থান সংকুলানহীন হয়ে পড়ে। ১৯২৪ সালে, মসজিদের শতবর্ষে, নতুন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়।

বর্তমানে সুলতান মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়—এটি সিঙ্গাপুরের ইসলামি ঐতিহ্য, ইতিহাস ও স্থাপত্যকলার উজ্জ্বল প্রতীক। দেশি-বিদেশি অসংখ্য দর্শনার্থী প্রতিদিন এই মসজিদ দেখতে আসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/