কিশোরগঞ্জের চৌধুরীহাটি এলাকায় মিথ্যা চুরির অভিযোগ দিয়ে টাকা আদায় ও মানববন্ধনসহ সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ।
আজ সোমবার (১৩অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও বক্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের চৌধুরী হাঁটি এলাকার সম্প্রতি অটোরিকশা চুরির ঘটনা ভিন্ন খাতে নিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় লাখ টাকা।
এলাকাবাসী প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে পুনরায় গ্রাম সালিশে চুরির ঘটনার সাথে জড়িত আসল চোরকে সাক্ষ্য প্রমানসহ ধরা পড়ে শাহীন গংরা চুরির ঘটনায় জড়িত ও ভোক্তভোগী জালাল উদ্দীন নির্দোষ প্রমাণিত হয়।
কিন্তু চোর সিন্ডিকেট ভোক্তভোগী জালালের টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো জালালের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে সংবাদ প্রকাশ করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সেই সাথে প্রকৃত অপরাধী সিন্ডিকেট মিলে টাকা মেরে দেয়ার সমালোচনা সহ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
সংবাদ সম্মেলনে গ্রাম সালিশ কমিটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন,হাজারো জনতার সম্মুখে চুরির ঘটনায় জালাল নির্দোষ ও শাহীন, শাহ আলম, দেলোয়ার ও দিগন্ত চোর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
সালিশে থাকা সাবেক মেম্বার নুরুল ইসলাম ভুট্টা মিয়া বলেন, চোর সিন্ডিকেট এক হয়ে জালালের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও ষড়যন্ত্র করছে। চুরির ঘটনা ভিন্ন খাতে নিয়ে জালালের ৭০ হাজার টাকা মেরে দেয়ার পরিকল্পনা করছে তারা।
ভোক্তভোগী জালাল বলেন, আমিও গত জুলাই মাসে কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টট আদালতে শাহীন, শাহ আলম,দেলোয়ার ও দিগন্তের বিরুদ্ধে মামলা করি,যাহার নং-৪০৬/২০২৫। মামলাটি বতর্মানে তদন্তধীনে রয়েছে।
এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে চুরি ও মাদকের ব্যবসায়ী শাহীন গংরা আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধনসহ অপপ্রচার করছে।
আমি পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাদের কাছে অনুরোধ করব বিষয় গুলো আমলে নিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য।
https://slotbet.online/