পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সেনা সদস্য সামসুল আলম শেখ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে প্রতিপক্ষ।
জানা গেছে, পূর্বের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ১৪ জুন ২০২৫ খ্রিস্টাব্দে টুপির মোড় এলাকার সড়কের পাশে শাহালী ও খলিলুর রহমান ওরফে খলিলের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়, যা পরে মারামারির পর্যায়ে পৌঁছায়। এতে উভয় পক্ষই আহত হয়।
মারামারির খবর পেয়ে সামসুল আলম শেখ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করেন। তিনি শাহালীর ভাতিজা হওয়ায় প্রতিপক্ষ তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাকে চাকরি খাওয়ার হুমকি দিতে থাকে।
এ বিষয়ে সামসুল আলম তার কর্মস্থল ইউনিট এবং দেবীগঞ্জ সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করেন। পরে সেনা ক্যাম্পের একটি টহল দল এসে ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানে এবং স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার মাসুদ রানা কে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির দায়িত্ব দেয়।
কিন্তু খলিলের পরিবার সেনা ক্যাম্পের নির্দেশনা অমান্য করে সামসুল আলমকে হত্যার হুমকি দিতে থাকে। সামসুল আলম বিষয়টি পুনরায় তার ইউনিটকে জানান এবং ছুটি শেষ না হতেই তাকে কর্মস্থলে ফিরে যেতে বলা হয়।
সামসুল আলম কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার খবর পেয়ে খলিলের বড় ছেলে শাহিনুর ইসলাম ১৭ জুন ২০২৫ তারিখে সামসুল আলমকে ১ নম্বর আসামি করে মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে দেবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
সরাসরি খোঁজ নিতে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, “সামসুল আলম একজন ভালো ছেলে, তিনি মারামারিতে জড়িত ছিলেন না। খলিলের পরিবার পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা করেছে।”
এ বিষয়ে শাহালীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এর আগে ১৯ জুলাই আমার ছোট ভাই অহিদুল ইসলামকে জমির বিরোধের জেরে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে ২৩ জুলাই তিনি মারা যান এবং আমরা কয়েকজন গুরুতর আহত হই। সেই সময়ও আমাদের ১৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এবারও একই ঘটনা ঘটছে।”
মুঠোফোনে জানতে চাইলে সামসুল বলেন, “
পূর্বের হত্যা মামলা বিষয়ে সেনা ক্যাম্পের সহযোগিতায় বেগবান করার চেষ্টা করলে খলিলের পরিবার ক্ষিপ্ত হয়ে আমার চাকুরীর সমস্যার হুমকি দেয় এবং মামলা দায়ের করে। এবিষয়ে শ্রীঘ্রই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব”।
https://slotbet.online/