• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ভুয়া সনদে চাকরি, স্ত্রীসহ সাবেক এমপি আউয়ালের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মোঃ শামীম হোসাইন / ১৬১ Time View
Update : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

ভুয়া শিক্ষাগত সনদপত্র ব্যবহার করে কলেজে চাকরি নেওয়া এবং সরকারি করণের পর বেতন উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়াল, তার স্ত্রী লায়লা পারভীন ও এক কলেজের অধ্যক্ষ ঠাকুর চাঁদ মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (৩ জুন) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন সম্রাট এ মামলাটি দায়ের করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় অবস্থিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মহিলা কলেজে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান লায়লা পারভীন (৬২)। তিনি কলেজটির দাতা সদস্য এবং প্রতিষ্ঠাতা ও গভর্নিং বডির সভাপতি একেএমএ আউয়ালের স্ত্রী।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, কলেজটি এমপিওভুক্ত না হলেও ২০১৮ সালে এটি সরকারিকরণ করা হয়। এরপর লায়লা পারভীন নাজিরপুর সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০১৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৪০৬ টাকা বেতন হিসেবে উত্তোলন করেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, তবে নিয়োগের সময় তিনি যে এসএসসি, এইচএসসি ও স্নাতক পাসের সনদপত্র জমা দিয়েছিলেন, সেগুলো তদন্তে ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় বলা হয়েছে, স্বামীর রাজনৈতিক প্রভাব এবং কলেজের অধ্যক্ষ ঠাকুর চাঁদ মজুমদারের সহযোগিতায় তিনি এই ভুয়া সনদ ব্যবহার করে কলেজে প্রভাষক পদে নিয়োগ পান এবং সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন।

দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়াল যখন ওই কলেজের সভাপতি ছিলেন তখন তিনি ক্ষমতা অপব্যবহার করে তার অষ্টম শ্রেণি পাস করা স্ত্রীকে প্রভাষক পদে চাকরি দেন। আমি নিজে এর তদন্ত করি পরবর্তীতে দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন সম্রাট বাদী হয়ে একটি মামলা দায়েল করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/