• মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় জোর পূর্বক ভিজিএফ কার্ড নেওয়ার চেষ্টা! অবসরে গেলেন র‍্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং এসবির অতিরিক্ত আইজি মোঃ গোলাম রসুল নাগরপুর প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল: শান্তি ও ঐক্যের বার্তা সাইনিং সিতোরিউ কারাতে একাডেমির ছাত্র-ছাত্রীদের কারাতে বেল্ট, সার্টিফিকেট ও কারাতে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হরিপুর টেংরিয়ায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টার এর মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপনের কার্যক্রম উদ্বোধন রক্তাক্ত জনপদ খুলনায় আবার ও প্রকাশ্যে গুলিতে যুবদল নেতা নিহত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন অ্যাড. এম এ মজিদ বিরলের পল্লীতে জমি-জমার বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২

সুলতান মসজিদ: সিঙ্গাপুরের বুকে জ্বলজ্বলে ইসলামি স্থাপত্যের রত্ন

মো: রেজাউল করিম / ৬০ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

সিঙ্গাপুর ভ্রমণে ইসলামি ঐতিহ্য ও স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে পর্যটকদের নজর কাড়ে সুলতান মসজিদ। রোচোর জেলার কম্পুং গ্ল্যামের মাসকট স্ট্রিটের উত্তর ব্রিজ রোডে অবস্থিত এই মসজিদটির নামকরণ করা হয় জোহরের সুলতান হুসেন শাহের নামে। ১৯৭৫ সালে এটি সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভের মর্যাদা পায়।

১৮১৯ সালে ব্রিটিশদের কাছে সিঙ্গাপুর হস্তান্তরের পর সুলতান হুসেন ও টেমেংগং আব্দুল রহমান ক্ষমতার বিনিময়ে সম্পদ লাভ করেন এবং কাম্পুং গ্ল্যামে বসবাসের অনুমতি পান। মালয় ও মুসলিম অধ্যুষিত এই এলাকায় সুলতান হুসেন তাঁর পরিবার ও অনুসারীদের নিয়ে প্রাসাদ নির্মাণের পাশাপাশি বড় একটি মসজিদ করার সিদ্ধান্ত নেন। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থায়নে ১৮২৪ থেকে ১৮২৬ সালের মধ্যে পিরামিড আকৃতির ছাদসহ প্রথম মসজিদটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে নতুন ভবন নির্মাণের সময় মূল অংশ সংস্কার করা হয়।

সুলতানের নাতি আলাউদ্দিন শাহ ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত মসজিদ পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেন পাঁচজন সম্প্রদায় নেতার কাছে। ১৯১৪ সালে সরকার আরও ৯৯৯ বছরের ইজারা নবায়ন করে এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দল থেকে প্রতিনিধি নিয়ে নতুন বোর্ড অব ট্রাস্টি গঠন করা হয়।

২০ শতকের শুরুতে সিঙ্গাপুরে মুসলিম জনসংখ্যা, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়তে থাকায় পুরোনো মসজিদটি স্থান সংকুলানহীন হয়ে পড়ে। ১৯২৪ সালে, মসজিদের শতবর্ষে, নতুন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়।

বর্তমানে সুলতান মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়—এটি সিঙ্গাপুরের ইসলামি ঐতিহ্য, ইতিহাস ও স্থাপত্যকলার উজ্জ্বল প্রতীক। দেশি-বিদেশি অসংখ্য দর্শনার্থী প্রতিদিন এই মসজিদ দেখতে আসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/