ঝিনাইদহে সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ)এর উদ্যোগে অধিগ্রহণকৃত জমি দখলমুক্ত ও সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল থেকে শেখপাড়া-শৈলকূপা-লাঙ্গলবাধ সড়কের তমালতলা বাজারে উক্ত অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপসচিব মোঃ আশফাকুল হক চৌধুরী।
সূত্র মতে জানা যায়, শৈলকূপা উপজেলার তমালতলা বাজারে কালীগঙ্গা নদীর উপর সেতু নির্মান ও সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য কিছু জমি অধিগ্রহণ করা হয়। অধিগ্রহণকৃত জমির দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য “স ও জ” এর পক্ষ থেকে বারবার নোটিশ প্রদান, মাইকিং ও পত্রিকায় গণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তার পরও অনেকে স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। সড়ক বিভাগ এসব স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে।
উচ্ছেদ অভিযান শেষে উচ্ছেদকৃত মালামাল প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।উক্ত নিলামে ৮ জন দরদাতার মধ্যে সর্বোচ্চ ১,৩৫,০০০/- (এক লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকায় জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান সমুদয় মালামাল ক্রয় করেন।
অভিযান কালে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ হাফিজুর রহমান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউদ্দিন, সহকারী প্রকৌশলী ও স্টাফ অফিসার মোঃ আহসান-উল-কবীর, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) স্বজন ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হাসান আল মামুন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) রাকিব আহমেদ, সার্ভেয়ার মোঃ সোহেল রানা সহ অন্যান্য কর্মচারীবৃন্দ। সেসময় সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, পল্লী বিদ্যুৎ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপসচিব মোঃ আশফাকুল হক চৌধুরী বলেন, ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের আওতায় শেখপাড়া-শৈলকুপা সড়কের তমালতলা ব্রিজের ৩০ শতক জমিতে ২০টির মতন অবৈধ স্থাপনা ছিল সেগুলো আজ আমরা উচ্ছেদ করে দিয়েছি। এখনো যারা অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ পাননি তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাবেন। সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
https://slotbet.online/