কিশারগঞ্জে ৩৮ লাখ টাকায় ইজারা দয়া ডুবি জলমহাল প্রশাসন অভিযান চালিয়ছে। সুপরিচিত এ জলমহালটি জেলার নিকলী উপজলার সিংপুর ইউনিয়নর সীমানায় অবস্থিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদকালীন সময় সিংপুর ইউনিয়নর প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত বর্তমান ইউপি মেম্বার আলাউদ্দিন, সামছুদ্দিন, কাকন, সুজন ও আবু তাহের উক্ত জলমহাল অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় খবর পায় নিকলী উপজলা প্রশাসন। তাৎক্ষণিকভাবে সেখান অভিযান চালায়। অভিযানকালে মাছ ধরার দুটি জাল, নৌকা আটক করা হয়ছে।
নিকলী উপজলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ দত্ত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এ সময় তার সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারী ও থানা পুলিশ সঙ্গে ছিল।
জলমহালে যখন মাছ ধরা হচ্ছিল সেখানে প্রশাসনের লোকজন দেখে অবৈধভাবে মাছ ধরতে থাকা লোকজন জাল ও নৌকা ফেলে পালিয়ে যায়। প্রশাসন কর্তক আটক ২টি জাল ও নৌকা সিংপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার তাজুল ইসলামর জিম্মায় রাখা হয়ছে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে পার্শ্ববর্তী করিমগঞ্জ উপজলার সুতারপাড়া গ্রামের মোঃ কিতাব আলীর পুত্র মোঃ মাসুদ মিয়া ডুবি জলমহালটি বাংলা ১৪৩১ সন ১ বছরের জন্য ইজারা নেন।
বিগত চৈত্র মাসে ইজারা গ্রহণকারীর ১ বছরর মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। পুণরায় ঐতিহ্যবাহী এ জলমহালটি আবারও ১৪৩২ সন ১ বছরের জন্য ইজারা দয়ার প্রতি নিছিল প্রশাসন এবং একই সাথে ইজারা না দেয়া পযর্ন্ত প্রশাসন কর্তৃক খাস কালকশান হবে এই মর্মে স্থানীয় ইউনিয়নবাসীকে অবহিত করা হয়ছে। প্রশাসনিক কোন নির্দেশনা না মানা জলমহাল থেকে মোটা অংকের ফায়দা লুটার জন্য আলাউদ্দিন গংরা জলমহালটিত অবৈধভাব মাছ ধরা অব্যাহত রখছিল।
এ ব্যাপার নিকলী উপজলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ দত্ত এ প্রতিবেদককে জানান, ঘটনার সাথ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তিতি চলছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি বলে জানা গেছে।
https://slotbet.online/