নারায়ণগঞ্জের এক পোশাক শ্রমিককে ঢাকা থেকে বরিশালে ফেরার পথে কেবিনে নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয় বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী। ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে এক ফেরিওয়ালাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বরিশালের একটি আদালত।
সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ইয়ারব হোসেন আসামির উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন বলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী কাজী হুমায়ন কবির জানান।
দণ্ডিত ফেরিওয়ালা সুমন সেপাই (৩৬) পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার নদমুলা গ্রামের সেপাই বাড়ির বাসিন্দা। তিনি রাজধানীর সদরঘাটে ফেরি করে বিভিন্ন মালামাল বিক্রি করতেন।
বেঞ্চ সহকারী হুমায়ন কবির জানান, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার আঁখি আক্তার নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই আঁখি জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
“আঁখি সদরঘাটে গেলে পূর্ব পরিচিত সুমন তাকে সুরভী-৮ লঞ্চের একটি স্টাফ কেবিন ব্যবস্থা করে দেন। রাতে সুমন ওই কেবিনে গিয়ে আঁখিকে ধর্ষণ করেন। তখন আঁখি চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন সুমন। পরে লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দরের পৌঁছালে সুমন লাশ রেখে পালিয়ে যান।”
তিনি বলেন, লঞ্চে লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে স্বজনরা গিয়ে আঁখিকে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে আঁখির বাবা বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করে বলে জানান হুমায়ন কবির। ২০২২ সালের ৩০ মার্চ সুমনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই নিজাম মাহমুদ নাসির আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন বলে জানান তিনি। মামলায় ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিকে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয় বলে জানান বেঞ্চ সহকারী।
https://slotbet.online/