পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে আবাসনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের সবাই জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা ও সমর্থক। রোববার (২৫ আগষ্ট) রাতে উপজেলার পাড়েরহাট আবাসন এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। আহতরা হামলার জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পাড়েরহাট আবাসন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এমাদুল ইসলাম (২৭), একই সংগঠনের নেতা আব্দুল রহিম (২৯) ও আলামিন (৩১); এমাদুলের স্ত্রী নাজমা (২২) ও আবাসনের বাসিন্দা নাজমীন। তাদের ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শরীরে মারধর ও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
চিকিৎসাধীন এমাদুল ইসলামের বলেন, আবাসনে নিয়মিত মাদক সেবন ও মাদকের কারবার চলত। শনিবার জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা নেতারা সেখানকার শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব দিয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কমিটি করে দেন। তারা মাদকের আড্ডা বন্ধের নির্দেশ দিলে আওয়ামী লীগ সমর্থক আসাদুলের নির্দেশে রনি, মহারাজ, শাহাদতসহ ১০-১২ জন হামলা করে। এতে তিনি, তাঁর স্ত্রীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আবাসনের বাসিন্দা মহারাজ বলেন, ‘ওরা আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এ ছাড়া হুমকি-ধমকিও দিয়েছিল। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম হাওলাদার জানান, পাড়েরহাট আবাসনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার সোমবার বিকেলে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া হবে।
https://slotbet.online/