• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

৮২ মে. টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

আশরাফুল আলম সরকার , বিশেষ প্রতিনিধি / ১৫১ Time View
Update : শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৪

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চাঁদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ. কে. এম শহিদুল্ল‍্যাহর একক কারসাজিতে অসহায় জেলেদের নামে বরাদ্দকৃত অতিরিক্ত প্রায় 82 মেট্টিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চেয়ারম্যানের নামে।

অভিযোগ কারীরা এই প্রতিবেদক কে জানায়, ৪/০২/২০২৪ এবং ২৮/০৩/২০২৪ উল্লিখিত দুটি তারিখে দুটি ডিউতে ৪১৫৯ করে দুটি ডিউয়েতে দুইবার ৮৩১৮ জন জেলেদের মাসে ৪০ কেজি করে চার পর্বে ১৬০ কেজি করে বিজিএফ কার্ডের চাল বরাদ্দ হয়।
উল্লেখ থাকে যে চাঁদপুর ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা মোট ৭৩০১ জন। এর মধ‍্যে অতিরিক্ত বরাদ্দ করে ১০১৭ জন জেলের নামে একই পরিমাণ চাল আনা হয়।
উক্ত চাল আদৌ বিতরণ করে নাই বতর্মান চেয়ারম্যান এ কে এম শহিদুল্ল‍্যাহ।
তথাপি অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত প্রায় ৮২ মে. টন চাল চেয়ারম্যান নিজেই আত্মসাত করেছে মর্মে স্থানীয় ভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উল্লিখিত নিবন্ধিত ৭৩০১ জন জেলেদের মাঝে যে চাল বিতরণ করা হয়েছে তাতেও রয়েছে যথেষ্ট গরমিল।
এই রিপোর্ট লেখার সময় পযর্ন্ত ৩ নং চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার ও মেম্বার গণ অনেকের মাঝে এ নিয়ে গুঞ্জন চলছে।
বেশ কয়েকজন মেম্বারের সাথে চেয়ারম্যানের দন্দ চরমে।
এখানে উল্লেখ থাকে যে মুলত এই অতিরিক্ত ১০১৭ জন জেলের নামের তালিকা না থাকার ফলে চেয়ারম্যান এখন জবাবদিহির বাহিরে আছে মর্মে আলোচনা চলছে।

অভিযোগকারীরা তার প্রমাণ সরুপ এই প্রতিবেদককে জানিয়েছে। মোট চাল বরাদ্দ হয় ৬৬৫.৪০মে. টন এর মধ‍্যে ৭৩০১ জন জেলের মধ‍্যে নামে মাত্র বিতরণ হয় ৬৮৪ মে. টন এখানের হিসাবে অবশিষ্ট থাকে প্রায় ৮২ মে. টন চাল।

এই প্রতিবেদক কে অভিযোগকারীরা জানিয়েছে উল্লেখিত ইউনিয়নের বতর্মান চেয়ারম্যান যেন একজন স্মার্ট পদ্ধতির জেলে ঠকানো বা জেলেদের বিজিএফ কার্ডের জেলে ঠকানোর এক অভিনব প্রতারক। তারা আরো বলেছে এই ধরনের প্রতারণা গুলোকে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় প্রতারণা বলা হয়।
এখানে যেমন একজন জন প্রতিনিধির সুনাম ক্ষুণ্ন হয়। অন‍্য দিকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় হয়।
এখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা মৎস‍্য কর্মকর্তা তারা এসব জানার পরেও নীরব ভূমিকা পালন করছে মর্মে অভিযোগকারীরা বলাবলি করছে।
অভিযোগকারীরা এই প্রতিবেদককে বলেছে। আত্মসাত কৃত চালের বতর্মান বাজার মূল‍্যে প্রায় (৮২ মে. টন ) প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকার সমমান।
পরিশেষে অভিযোগকারীরা বলেছে মৎস‍্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি চাল আত্মসাতের বিরুদ্ধে যথাযথ ব‍্যবস্থা গ্রহণ করে অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত চাল উদ্ধার করত এবং সরকারি কোষাগারে জমাসহ দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত শাস্তি নিশ্চিত করত।এটাই তাদের দাবী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/