সেলিম মাহবুব:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষনের অভিযোগ এনে সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৯৫ জন নাম উল্লেখিত আসামীর মধ্যে সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক সহ ছাতকের ৩ জনকে আসামী করা হয়েছে। আলোচিত এ মামলায় ৩ নম্বর আসামী মুহিবুর রহমান মানিক, কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা, ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের বিহাই গ্রামের বাসিন্দা আল আমিন রহমানকে করা হয়েছে ৩১ নম্বার আসামী এবং সাবেক সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের পিএস মোশাহিদ আলীকে করা হয়েছে ৯৫ নং আসামী। এ ছাড়া ১২৫-২০০ জনকে করা হয়েছে অজ্ঞাত আসামী। মামলায় প্রধান আসামী করা হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হুদা মুকুটকে। ২ নং আসামী করা হয়েছে সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানকে। সাবেক এমপি রঞ্জিত সরকার ৪ নং, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার এনামুল কবির ইমন ৫ নং, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নোমান বখত পলিন ৬ নং, সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত ৭ নং, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল ৮নং সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ১০ নং এবং সাবেক এমপি শামীমা শাহরিয়ারকে করা হয়েছে ১১ নং আসামী। ৯৫ জন মধ্যে জনপ্রতিনিধি ছাড়াও পুলিশ কর্মকর্তা, আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতা এবং সাংবাদিকও রয়েছেন আসামীর তালিকায়। পাশাপাশি জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা একাধিক সাংবাদিককে করা হয়েছে মামলার স্বাক্ষি। ৪ আগস্ট সুনামগঞ্জে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের দায়ে ২ আগষ্ট সোমবার সুনামগঞ্জ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ জহুর আহমদের ভাই হাফিজ আহমদ। মামলার বাদি দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের এরোয়াখাই গ্রামের নাজির আহমদের পুত্র হাফিজ আহমদ। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী এড. মোশাহিদ আহমদ।
https://slotbet.online/