• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি

বেলকুচিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান, ১৬২টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়

মোঃ ইয়াছিনআলী সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ / ১৩৯ Time View
Update : বুধবার, ৬ আগস্ট, ২০২৫

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে প্রায় ১৬২টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে কলেজ মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘আইবুল মোটরস’ এর ভবনটি ভেঙে ফেলা হয়। একইসাথে বেশ কয়েকটি চায়ের দোকান ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘মনোহারী দোকান’সহ অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়।

এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, র‍্যাব-১২ এর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ উল্লাহ, বেলকুচি থানা পুলিশ এবং বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরিন জাহান উপস্থিত ছিলেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সরকারী জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে নদী রক্ষা বাঁধ এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। এজন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।”

তবে উচ্ছেদকৃত দোকান মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ইমন ট্রেডার্সের মালিক অভিযোগ করে বলেন, “আমার দোকান মাত্র ১ ফুট সরকারি জমিতে ছিল, কিন্তু অর্ধেকেরও বেশি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।”

অন্যদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত আরেক ব্যক্তি মনিরুল ইসলাম বলেন, “১৬২টি দোকান উচ্ছেদ হওয়ায় হাজারো পরিবার কর্মহীন হয়ে পড়বে। পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা না করে এভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো মানবিক নয়।” তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান, “যাদের দোকান ভাঙা হয়েছে, তাদের নতুনভাবে জায়গা লিজ দিয়ে পুনঃস্থাপনের অনুমতি দেওয়া হোক, যাতে সরকার রাজস্ব পায় এবং ব্যবসায়ীরাও আবার জীবিকা নির্বাহ করতে পারে।”

স্থানীয়রা জানান, উচ্ছেদ অভিযানের ফলে কিছু অংশে সঠিকভাবে নোটিশ দেওয়া হলেও, অনেক দোকানদার সময় না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে মানবিক বিবেচনায় দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/