• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মালয়েশিয়ার ঐতিহ্যবাহী বাহারি রকমের খাবারের বৈচিত্র

মো: রেজাউল করিম / ২৩৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

মালয়েশিয়া শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং তার রকমারি ঐতিহ্যবাহী খাবার ও রান্নার বৈচিত্র্যের জন্যও বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মালয়, চাইনিজ, ভারতীয় ও আদিবাসী সংস্কৃতির এক অসাধারণ সংমিশ্রণ এই দেশের খাবারকে করেছে একেবারে অনন্য।

দেশটির ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো শুধু স্বাদেই নয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়ার প্রতিটি রাজ্যেই কিছু বিশেষ খাবারের পরিচিতি রয়েছে, যা সেখানকার সংস্কৃতিকে তুলে ধরে।

নাসি লেমাক – জাতীয় খাবারের গৌরব

“নাসি লেমাক” মালয়েশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং জাতীয় খাবার হিসেবে বিবেচিত। নারকেল দুধে রান্না করা ভাত, সঙ্গে সাম্বাল (মরিচভর্তা), ভাজা ছোট মাছ (ইকান বিলিস), ডিম, শসা এবং ভাজা চিনাবাদাম—এই উপাদানগুলো একত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ খাবার তৈরি করে।

চার কুই তিয়াও – চাইনিজ প্রভাব

চাইনিজ সম্প্রদায়ের কাছ থেকে আসা এই খাবারটি সয়াসস, রসুন, ডিম, চিংড়ি ও সসেজ দিয়ে ভাজা চাউমিন জাতীয় এক পদ। এটি স্ট্রিট ফুড হিসেবেও জনপ্রিয়।

রেন্ডাং – মাংসের রাজকীয় পদ

রেন্ডাং মূলত একটি ধীরগতিতে রান্না করা ঝাল গরুর মাংসের পদ, যার উৎপত্তি ইন্দোনেশিয়ায় হলেও মালয়েশিয়াতেও এটি খুবই প্রিয়। ঈদ বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে এটি থাকেই।

সাতে – বারবিকিউর আদিম রূপ

ছোট করে কাটা মাংস (চিকেন বা বিফ), বিশেষ মশলায় ম্যারিনেট করে কাঠিতে গেঁথে গ্রিল করে তৈরি করা হয় “সাতে”। সঙ্গে থাকে পিনাট সস। এটি মালয়েশিয়ার ঐতিহ্যবাহী স্ট্রিট ফুড হিসেবে ব্যাপক পরিচিত।

কুয়েহ – রঙিন মিষ্টি পরিবেশ

‘কুয়েহ’ হল বিভিন্ন ধরণের রঙিন কেক ও মিষ্টান্ন যেগুলো চালের গুঁড়া, নারকেল, পাম সুগার দিয়ে তৈরি হয়। এসব খাবার ধর্মীয় উৎসব ও অতিথি আপ্যায়নে ব্যবহৃত হয়।

ঐতিহ্যের টানে খাবারে ফিরে দেখা

মালয়েশিয়ার ঐতিহ্যবাহী খাবার শুধু পেট ভরানোর উপকরণ নয়, বরং এগুলোতে মিশে থাকে এই দেশের ইতিহাস, জাতিগোষ্ঠীর বৈচিত্র্য ও উৎসবের আবহ। খাবারের টেবিলে বসলে যেন পুরো মালয়েশিয়া উঠে আসে এক প্লেটেই।

এখানে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরাও এই খাবারগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন দিনে দিনে। অনেকে আবার নিজ উদ্যোগে এই খাবারগুলোর স্বাদ গ্রহণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ারও করছেন, যার মাধ্যমে গড়ে উঠছে একটি সংস্কৃতি বিনিময়ের সেতুবন্ধন।

মালয়েশিয়ার ঐতিহ্যবাহী খাবার শুধু স্বাদ নয়, এটি একেকটি গল্প, একেকটি ঐতিহ্যের বাহক। দেশটির বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতিকে চেনার সবচেয়ে সরল পথ হতে পারে—এক প্লেট ঐতিহ্যবাহী খাবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/