• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

সন্ধ্যা নদীর ভাঙন রোধে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ

মোঃ শামীম হোসাইন / ১৫২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড় দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের মুখে ছিল। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদীর করাল গ্রাসে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়তো। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও ভাঙন থেকে জনজীবন রক্ষায়, অবশেষে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পিরোজপুর।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে নদী ভাঙন রোধে ৪৭ কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সোহাগদল ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে ১.১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলানোর মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

বর্তমানে প্রকল্পের কাজের প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলার স্থান চিহ্নিতকরণ, উপকরণ সংরক্ষণ এবং শ্রমিক নিয়োগসহ যাবতীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতে, কাজটি সম্পূর্ণ হলে নদীর গতিপথ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নদীতীর সংলগ্ন বসতবাড়ি ও অবকাঠামো সুরক্ষিত থাকবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করছে নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙন রোধে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সোহাগদলের মানুষ অনেকটা স্বস্তি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও এ প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের প্রকল্প আরও আগে বাস্তবায়ন হলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যেত। তবে বর্তমান উদ্যোগকে ঘিরে এলাকায় আশার সঞ্চার হয়েছে।

এই প্রকল্প শুধু নদী ভাঙন প্রতিরোধেই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে নদীকেন্দ্রিক জীবিকা ও বাস্তুসংস্থান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/