• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরিপুর টেংরিয়ায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টার এর মাধ্যমে বোরো ধানের চারা রোপনের কার্যক্রম উদ্বোধন রক্তাক্ত জনপদ খুলনায় আবার ও প্রকাশ্যে গুলিতে যুবদল নেতা নিহত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন অ্যাড. এম এ মজিদ বিরলের পল্লীতে জমি-জমার বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২ জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের

সন্ধ্যা নদীর ভাঙন রোধে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ

মোঃ শামীম হোসাইন / ৯৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড় দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের মুখে ছিল। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নদীর করাল গ্রাসে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়তো। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও ভাঙন থেকে জনজীবন রক্ষায়, অবশেষে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পিরোজপুর।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে নদী ভাঙন রোধে ৪৭ কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় সোহাগদল ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ে ১.১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলানোর মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

বর্তমানে প্রকল্পের কাজের প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলার স্থান চিহ্নিতকরণ, উপকরণ সংরক্ষণ এবং শ্রমিক নিয়োগসহ যাবতীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতে, কাজটি সম্পূর্ণ হলে নদীর গতিপথ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নদীতীর সংলগ্ন বসতবাড়ি ও অবকাঠামো সুরক্ষিত থাকবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করছে নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙন রোধে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে কাজ করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সোহাগদলের মানুষ অনেকটা স্বস্তি পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও এ প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, এ ধরনের প্রকল্প আরও আগে বাস্তবায়ন হলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যেত। তবে বর্তমান উদ্যোগকে ঘিরে এলাকায় আশার সঞ্চার হয়েছে।

এই প্রকল্প শুধু নদী ভাঙন প্রতিরোধেই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে নদীকেন্দ্রিক জীবিকা ও বাস্তুসংস্থান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/