• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত

সুন্দরবন টহল ফাড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুমনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

রাজিব হোসেন, শরণখোলা উপজেলা / ২১০ Time View
Update : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা টহল ফাড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোয়েবুর রহমান সুমন এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে মৎস্য ব্যবসায়ী ও জেলেরা।

৫ মার্চ বুধবার সকালে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে মৎস্য ব্যবসায়ী উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি যথা নিয়মে সরকারী পাস পার্মিট করে তার জেলে বহর সহ কটকা এলাকার অভয়াশ্রমের বাইরে মাছ ধরতে গেলে সেখানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোয়েবুর রহমান সুমন তাদের জানায় মাছ ধরতে হলে প্রতিবার ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে অন্যথায় মাছ ধরা যাবে না। বন কর্মকর্তাকে টাকা দিলে জেলেদের অভয়ারণ্যে মাছ ধরার অনুমতিও দেয়। বিনিময়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হয় বলে শফিকুল জানায়। শফিকুল ইসলাম বিকাশের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দেয়। চুক্তি অনুযায়ী সুন্দরবনের কটকা এলাকার বিভিন্ন নদীতে মাছ ধরতে থাকে তার জেলেরা। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোয়েবুর রহমান আরো ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। এ নিয়ে জেলে ও  মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে বাগ বিতদন্ডতা হয়। পরে টাকা না পেয়ে সোয়েবুর রহমান ও তার বনরক্ষীরা শফিকুল ইসলামের জেলেদের দুটি নৌকা ভেঙ্গে ফেলে এবং তাদের একটি  জাল রেখে দেয়। এতে ওই জেলেদের কমপক্ষে ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। লিখিত অভিযোগে তিনি  আরো বলেন সোয়েবুর রহমান ওই এলাকায় বিনা পাশে উৎকোচ নিয়ে বিভিন্ন এলাকার জেলেদের দিয়া মাছ ধরিয়া থাকেন। তিনি টাকা ছাড়া কিছুই চেনেন না টাকা দিতে পারলে কটকার যে কোন জায়গায় মাছ ধরার অনুমতি দেন সোয়েবুর রহমান। উপস্থিত জেলেরা সোয়েবুর রহমানকে অত্যন্ত বদমেজাজি একজন কর্মকর্তা বলে অভিহিত করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কটকা টহল ফাড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোয়েবুর রহমান  বিষয়টি এড়িয়ে বলেন কটকা অভয়ারণ্যের ভিতরে কোনো মাছ ধরতে দেওয়া হয় না। শফিকুল ইসলাম এর অভিযোগের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা রানা দেব বলেন, কটকার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোয়েবুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত চলছে তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/