মোর্শেদ খান বিশেষ প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ি বাজারে আদালতের রায় উপেক্ষা করে এবং মালিককে সাজানো মামলায় জেলে পাঠিয়ে একটি দোকানসহ ৭.২৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিকার ও সম্পত্তি ফিরে পেতে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।
শুক্রবার(২ অক্টোবর)সন্ধ্যায় বেড়বাড়ি বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দা এস এ শাহীন এ অভিযোগ তোলেন।
লিখিত বক্তব্যে এস এ শাহীন জানান, বেড়বাড়ি বাজারের ওই জমি ও দোকান নিয়ে ভাড়াটিয়াসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে একটি মামলায় আদালত তাঁর পক্ষে রায় প্রদান করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠায়। এই সুযোগে শাহিন মিয়া (৪৫), লেবু মিয়া (৪৩), ফজল মিয়া (৪৭), সাবেক ভাড়াটিয়া নূরুল ইসলামসহ (৪০) ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র জমিতে প্রবেশ করে দোকানঘর দখল করে নেয়।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, “আদালতে হেরে গিয়ে নূরুল ইসলাম বিরোধপূর্ণ জমিটি শাহিন মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শাহিন মিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের মিথ্যা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলে নিয়েছেন।”
সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক, বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল শিকদার, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন কাঁকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় প্রভাব খাটানোর বিষয়ে যাদবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম জানান, “শাহিন মিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো স্তরের নেতা বা কমিটির সদস্য নন। তিনি একসময় পদে অন্তর্ভুক্তির আবেদন করলে তাঁকে দলের পক্ষে কাজ করতে বলা হয়েছিল। দলীয় পরিচয়ের অপব্যবহার করে কেউ কোনো অপকর্ম করলে তার দায় দল নেবে না এবং তা সম্পূর্ণ অবৈধ।”
অভিযোগ অস্বীকার করে শাহিন মিয়া মুঠোফোনে বলেন, “আমি একজন প্রবাসী। ২০২৪ সালে দেশে এসে বৈধ নথিপত্রের ভিত্তিতে নূরুল ইসলামের কাছ থেকে জমিটি কিনেছি। আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
https://slotbet.online/