• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত ঝিনাইদহে ২ টাকায় ইফতার বিতরণ

৫০ হাজার টাকায় নবজাতক বিক্রি, পরে অপহরণের নাটক-দেবিদ্বারে চাঞ্চল্যকর ঘটনা

মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ) / ১১ Time View
Update : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

মোহাম্মদ উল্লাহ ভূইয়া (সোহাগ) :
মাত্র ৫০ হাজার টাকায়, তাও বাকিতে, নিজের ২৭ দিনের কন্যাশিশুকে বিক্রি করে পরে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দেবিদ্বার-এ। তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অসুস্থতার কথা বলে শিশুকে উপজেলা সদরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান মা আকলিমা বেগম। পরে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে ৫০ হাজার টাকায় শিশুটিকে দত্তক দেন বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, টাকাও তখন দেওয়া হয়নি।
এরপর নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে তিনি বুড়িচং উপজেলার সাবের বাজার এলাকায় গিয়ে সড়কের পাশে অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তিনি সন্তান খোঁজার কথা বলেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি অপহরণ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, শিশুটিকে স্বেচ্ছায় দত্তক দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ৩৫ ঘণ্টা পর শুক্রবার রাতে দত্তক নেওয়া দম্পতি আবু সাঈদ ও তাঁর স্ত্রী ঢাকায় থেকে এসে পুলিশের মাধ্যমে শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন।
অভিযুক্ত মা আকলিমা বেগম বলেন, তিনি ভুল করেছেন এবং সকলের কাছে ক্ষমা চান। তাঁর দাবি, হাসপাতালের এক নার্স শিশুটির ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বলে তাকে প্ররোচিত করেন। যদিও এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা করে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
শিশুটির বাবা মো. কামাল হোসেন বলেন, তিনি দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান এবং কখনোই মেয়েকে বিক্রি করার কথা ভাবেননি। তাঁর ভাষায়, বড় অঙ্কের টাকাও দিলে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতেন না।
দেবিদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, শুরু থেকেই বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছিল। তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর দম্পতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা শিশুকে ফিরিয়ে দেন। সবার উপস্থিতিতে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/