• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি

কাজীপুরে অনিয়মের দায়ে ৫৯ নং মহিমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আলোচনায়

মোঃইয়াছিন আলী সিরাজ গঞ্জ প্রতিনিধি / ১৮৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুর উপজেলার খাসরাজবাড়ি ইউনিয়নের ৫৯ নং মহিমাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফের অনিয়মের ঘটনা ধরা পড়েছে।আজ ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১:২০ মিনিটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি তালাবদ্ধ। অথচ তখনও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্লাস চলার সময় ছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। শিক্ষকরা প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন, এবং নিয়মিত শ্রেণি পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অভিভাবকরা বলছেন, বারবার অভিযোগ করার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এর আগেও এই বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তবে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। বরং আজকের ঘটনাই প্রমাণ করে—পরিচালনায় চলছে গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতা।

এ বিষয়ে কাজীপুর উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ রানা বলেন:

“ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে।”

তার এই বক্তব্যে এলাকাবাসীর মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও তারা বলছেন—কেবল তদন্ত নয়, দ্রুত ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্থানীয় এক অভিভাবক জানান:
“আমরা বারবার বলছি, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। বাচ্চারা প্রতিদিন এসে তালা দেখে ফিরে যায়। এগুলো কি প্রশাসনের চোখে পড়ে না?”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ। তারা বলছেন—একটি বিদ্যালয়ের দায়িত্ব অবহেলা মানে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। তাই শুধু “বিভাগীয় মামলা” নয়, প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/