• শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার বিরল উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবকের মৃত্যু সখিপুর টাইগার ক্লাব আয়োজিত ইফতার ও দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত মঠবাড়িয়ায় ব্ল্যাকমেইল চক্রের ফাঁদে ব্যবসায়ী, নগ্ন ভিডিও করে মুক্তিপণ দাবি জাতীয় স্মৃতিসৌধে স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধা নিবেদন নড়াইলে ছাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কাঁটা পড়ে বৃদ্ধ নিহত ঝিনাইদহে ২ টাকায় ইফতার বিতরণ কলারোয়ায় আমের মুকুলে চাষীদের বাম্পার ফলনের আশা

ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী নেতা সেলিম মেম্বার এখনও প্যানেল চেয়ারম্যান

শাহাদাত কামাল শাকিল..... / ১৫৪ Time View
Update : শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫

চান্দিনায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী যুবলীগ নেতা এখনো আ.লীগের ক্ষমতার প্রভাব দেখাচ্ছেন। ধরে রেখেছেন সালিশ দরবার ও অবৈধ ব্যাবসার নিয়ন্ত্রণ । শেল্টার দিচ্ছেন বিএনপি ও বৈষম্য ছাএ নেতারা।

চান্দিনা উপজেলা সাবেক সংসদ-সদস্য ডাঃ প্রানগোপাল দওের একনিষ্ঠ যুবলীগ নেতা ইউপি বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম মেম্বার এর ‘রাজত্ব’ বহাল রয়েছে। উপজেলার কেরনখাল ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম মেম্বার এখনো এলাকায় আওয়ামী লীগের ক্ষমতার প্রভাব দেখাচ্ছেন। বিগত ১৬ বছরের মতো এখনো ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান এলাকার সব সালিশ-দরবার এবং অবৈধ কার্যকলাপের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। এতে এলাকার জনসাধারণের মাঝে ফ্যাসিবাদের আতঙ্ক কাটেনি। এদিকে আ.লীগের ১৬ বছর সব ধরনের অপকর্ম করে ওই ইউপি বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান এখনো কীভাবে বহাল তবিয়তে থাকেন এমন নানা প্রশ্ন এলাকাবাসীর মাঝে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ম্যানেজ করেই তিনি তার দখল বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে দাবি এলাকাবাসীর। সরেজমিন জানা গেছে, কুমিল্লার-৭ (চান্দিনা ) আসনের সদ্য সাবেক সংসদ-সদস্য এবং কুমিল্লা উওর জেলা আ.লীগের সাবেক সিনিয়র সহ – সভাপতি ডাঃ প্রান গোপাল দওের ঘনিষ্ঠ কর্মী মোঃ সেলিম মেম্বার । বিগত ইউপি নির্বাচনে উপজেলার চান্দিনা থানাধীন ৫ নং কেরনখাল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার নির্বাচিত হন। ৫ ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এম,পি ডাঃ প্রান গোপাল দও আত্মগোপনে থাকলেও তার রাজনৈতিক পরিবারের অধিকাংশ সদস্য এলাকায় বহাল তবিয়তে আছেন। এমনকি অবৈধ ড্রেজার ব্যবসাসহ সব ধরনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ধরে রেখেছেন তিনি। স্থানীয়দের মধ্যে দোতলা গোবিন্দ পুরের মৃত মোঃ রোশন আলীর ছেলে হাজী মোঃ রফিক মিয়া বলেন ২০১৯ সালে এমপি আলী আশ্রাফে এর লাঠিয়াল আওয়ামী যুবলীগ নেতা সেলিম মেম্বার ও তার দলবল নিয়ে আমার বাড়ীঘর ভাংচুর ও লোটপাট করে। এ বিষয়ে ততকালীন সময়ে থানায় মামলা করতে গেলে আমাকে প্রান নাশের হুমকি দেয় যাতে মামলা না করি। আমি থানায় ও কোর্টে মামলা করলে আমাকে মেরে ফেলবে তাই আমি প্রান ভয়ে মামলা করিনাই উল্টো সাবেক এম,পি আলী আশ্রাফের কর্মচারী দিয়ে আমাকে চাঁদা বাজীর মামলা দেয়। আমি এখনো এই মামলার হাজিরা দিয়ে আসতেছি। অবৈধ বালুর ব্যবসা চালিয়ে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হয়েছেন। এদিকে গত বছর ৫ ই আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতন হলে কয়েক দিনের জন্য থমকে যান মোঃ সলিম মেম্বার । এক সপ্তাহের মধ্যেই রহস্যজনক কারণে তিনি আবারও অগ্নিমূর্তি ধারণ করেন। তার নির্বাচনী প্রতিদন্দী মো আবদুর রব মিয়ার ছেলে মো আবদুস সালাম মিয়া বলেন ৫ ই জানুয়ারী ২০২২ সালে ইউপি নির্বাচন উনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে আমরা প্রতিদন্ধীতা করি তখন সেলিম মেম্বার আওয়ামী যুবলীগ নেতা ও এম,পি আলী আশ্রাফের কর্মী হওয়ার সুবাধে প্রশাসন ও দলীয় বাহীনি দিয়ে জোর পূর্বক ফলাফল ছিনিয়ে নেয়। তারপর এ বিষয়ে কুমিল্লা নির্বাচনী ট্রাইবোনালে ভোট পুনরায় গননার জন্য মামলা করি যার ফলে ভোট গননায় আমার পক্ষে রায় আসে। তখন সেলিম মেম্বার এই রায়ের বিরুদ্ধে এডিএম কোর্ট ও ফাস্ট কোর্টে আপিল করে পরবর্তীতে আপিলের রায়ও আমি পাই। উক্ত মামলাটি হইকোর্টে স্টে করে স্টেয়েরও মেয়াদ শেষ আমার দাবী সে অবৈধ ভাবে দায়িত্ব দখল করে আছে আমার বিশ্বাস ২৪ শের গনঅভূথ্যানের সরকার এ জালিম আওয়ামী দোসর কর্মী সেলিম মেম্বার কে দায়িত্ব থেকে অভ্যাহতি দিয়ে আইনের আওতায় আনবেন। এলাকার লোকজন বলছেন, দেশে ফ্যাসিবাদের পতন হলেও ৫ নং কেরনখাল ইউনিয়নে ফ্যাসিবাদের পতন হয়নি। ওই ইউপিতে এখনো আ.লীগের সংসদ-সদস্য ডাঃ প্রাণগোপাল দওের রাজনৈতিক পরিবারের আধিপত্য এবং শাসন চলছে। ফ্যাসিস্ট পতনের ৯ মাস অতিবাহিত হলেও ওই এমপির রাজনৈতিক পরিবারের অনেক সদস্যদের বিরুদ্ধে কেউ মামলা দিতে এবং মুখ খুলতে সাহস পাননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকর কয়েক জন ব্যাক্তি জানান, সাবেক এমপি ডাঃ প্রানগোপাল দওের রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিএনপির অনেক নেতার আঁতাত রয়েছে। যার ফলে পুলিশও তাদের সামনে আসতে ভয় পায়।

এলাকার আকমত আলীর ছেলে মো হারেস বলেন, গত ১৬ বছর সেলিম মেম্বার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রতারণা করে দোতলা দঃ কৃষি মাঠে আমি ও আমার পরিবার সহ প্রায় ১০/১৫ জনের কাছ থেকে পর্যায় ক্রমে প্রায় ৩০০ শতক জমি নামে মাএ কিছু কিছু টাকা দিয়ে দখল করে অবৈধ ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে মাটি কাটা শুরু করে।আমরা নিরহ যার ফলে আমরা মূখ খোলে কিছু বলতে পারিনা কারন আমরা আমাদের এই ওয়ার্ডের মেম্বার এলাকায় কোন সমস্যা হলে বিচার নিয়ে মেম্বার চেয়ারম্যানের কাছে যাই আর মেম্বার নিজেই আমাদের সাথে প্রতারনা করেছে যার ফলে আমরা কারো কাছে বিচারও চাইতে পারিনাই । বিশেষ করে আমার পরিবার থেকে দুই দাগে ৪৪ শতক জমি মৌখিক ভাবে দরদাম করি প্রথম ২৪ শতকের নাম মাএ কিছু টাকা দিয়ে জমি দখল করে অবৈধ ভাবে মাটি কেটে নিয়ে যায় তারপর আমি বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে টাকার সমস্যা হলে ২০ শতক জমি বিক্রি করার প্রস্তাব করলে সেলিম মেম্বার জমিটি ক্রয় করতে সম্মত হলে এক পর্যায় জমির দাম ৫ লক্ষ টাকা ঠিক করি ১লক্ষ টাকা বায়না করার কথা থাকলেও মাএ নগদ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ৭৫ হাজার টাকার একটা ভূয়া চেক দেয় এভাবে ৭ মাস ঘুরাঘুরি করার কারনে বিসার টাকা যথা সময়ে দিতে না পারায় আমার প্রথম বিসা কেন্সেল করে দেয়। তারপর নিরুপায় হইয়া শূদে আসলে ও হাওলাত করে পরে অন্য একটি দেশে যাই তারপর আজকে তিন বৎসর পর দেশে আসি এ পর্যন্ত আমার টাকাও দেয়না জমির দলিলও নেয়না যার কারনে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করতেছি আমি পএিকার মাধ্যমে প্রসাশনের নিকট সেলিম মেম্বার এর বিচার চাই। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায় তাহার বাড়ির লোক থেকে ২৪ শতক জমি ক্রয় করার নাম বলে জমি দখল করে অবৈধ ভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা শুরু করে মোবরক, মফিজ, মোজাফফর, সাইদূল, আবুল কাশেম,সহ আরো অনেকের কাছ থেকে জমি ক্রয় করার কথা বলে জমি দখল করে কোন রকম অনুমতি না নিয়ে কৃষি জমি থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কাটা শুরু করে যার ফলে পাশের জমির আইল ভেঙে পরে । তখন তাহার কাছে গেলে জমিটি আমার কাছে বিক্রি করে দেও। তখন নিরুপায় হয়ে জমি বিক্রি করতে বাধ্য হই তবে অল্পকিছু টাকা দিয়ে বায়না করে আবারো মাটি কাটা শুরু করে এ ভাবে প্রতারনা করে একচেটিয়া এলাকার কৃষি জমি থেকে মাটি ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ করেছেন। এলাকার ড্রেজার দিয়ে মাটির ব্যবসা করে কোটি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সেলিম মেম্বার । একই এলাকার মোবারকের ছেলে সাইদূল বলেন, রহমত ভূইয়ার১৫ শতক জমি যারা মালিক‘ তাদের কে হারাহারি টাকা দিব বলিয়া এখনও দেয়নি। ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটতে গিয়ে মৃত জোহর আলীর ছেলে আঃ মবিন, সোজত আলীর ছেলে আঃ মালেকের কৃষি জমির আইল ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত করে , মো আলীর ছেলে মো খোরশেদ মিয়ার ২৭ শতক জমিও ভেঙে ফেলে আওয়ামীলীগ এর নেতা এখন বি এন পি করে তারপর হলো প্যানেল চেয়ারম্যান যার ফলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও ভয়ে বিচার চাইতে পারিনা।
সেলিম চেয়ারম্যানের কর্মকাণ্ড দেখলে মনে হবে না আ.লীগ দেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। আমাদের এলাকার মানুষ এখনো ফ্যাসিবাদের শাসনের মধ্যেই রয়েছে। প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম বালু ও মাটি ব্যবসা করে কী পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছেন তা অনুমান করা যাবে না। ধারণার বাইরে টাকার মালিক হয়েছেন তিনি।বৈষম বিরুধী ছাএ নেতাদের অভিযোগ এর বিষয়ে চান্দিনা উপজেলা এনসিপির সভাপতি মো অভি তার বক্তব্যে বলেন অমি অভগত হয়েছি যে কেরনখাল ইউনিয়ন এর প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম এর বিষয়ে একটি জন উওেজনা সৃষ্টি হয়েছে এ সাপেক্ষে যেহেতু আমাদের ছাএদের কে জরানো হয়ছে আসলে এ বিষয়ে আমাদের ছাএদের কোন যোগসূএ নেই বরং আপনেরা দেখেছেন আমরা চান্দিনায় ফ্যাসিষ্ট কে তারানোর জন্য ৫/৬ টা প্রগ্রাম করেছি কিন্তুু অন্য কোন দলের সহযোগিতা পাইনি। যেহেতু কেরনখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিষয়ে আমাদের কে জরানো হয়েছে সেহেতু আমাদের ছাএরা মিলে প্রসাশনের সহযোগিতা নিয়ে ফেসিষ্ট আওয়ামী প্যানেল চেয়ারম্যান কে সরানোর জন্য যতটুকু সহযোগিতা দরকার আমাদের বৈষম্য বিরুধী ছাএরা প্রসাশন ও স্থানীয় ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা নিয়ে যেমন করে ৫ ই আগষ্টের পূর্বে মাঠে নেমেছিলাম প্রয়োজনে চান্দিনার মাটি থেকে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট কে তারানোর জন্য আবার মাঠে নামব। ’বি,এন,পি নেতার সেলটারের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ রুহুল কুদ্দুস মাহিন কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আসলে আপনে যেই রকম প্রশ্ন করছেন বিষয়টা আসলে এইরকম না বিষয়টা হলো সেলিম মেম্বার বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী যুবদলের ওয়ার্ড সভাপতি ও ইউনিয়নের সহ সভাপতি দায়িত্ব পালন করছেন তাই ইউপি নির্বাচনের বিষয়ে কেরনখাল ইউনিয়নের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওয়ার্ডের সভাপতি ও মেম্বর প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়ে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বচিত করি। পরবর্তী নির্বাচনে আমাদের দলীয় সিদ্বান্তের কারনে আমরা নির্বচন বয়কট করি তখন কিভাবে মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনিই ভালো বলতে পারবে। তৃতীয় বার মেম্বার হওয়ার পর ফেসিস্ট আওয়ামী লীগ এর আমলে আলী আশ্রাফ এমপির দোষর জহির মুন্সি কেরনখাল ইউনিয়ন দোতলা এসে আস্তানা ঘারে তার ব্যাবসার ঘাটি বড় করার জন্য। সেই জহির মুন্সি নির্মম ভাবে সেলিম মেম্বারের উপর অত্যাচার করে। তখন নিরুপায় হয়ে রাতের আধারে সে আমার কর্মী হিসেবে আমার কাছে আসে পরামর্শ নিতে। তখন আমি বল্লাম আমি নিজে ১৫/১৬ টা রাষ্ট্রীয় মামলা খেয়েছি, জুলুম অত্যাচারিত হচ্ছি তারা রাষ্ট্রীয় ভাবে আমাকে এরেষ্ট করেছে আমরা যদি এ ভাবে সকলে ক্ষতিগ্রস্ত হইতে থাকি তাহলে আমাদের অস্তিত্ব টিকাই রাখতে আমাদের কষ্ট হবে। তখন বল্লাম ঘা ঢাকা দেন তখন সে নিজের জীবন কে রক্ষা করতে সে ঐ সংগঠনের সাথে নাম মাএ যোগদান করে। ফেসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকার তাকে কমিটিতে রেখেছে। কোন কমিটি করে নাই সুধু নাম মাএ একটা কমিটি করছে। যাদের এ কমিটিতে রাখছে তারা নিজেই জানেনা তারা কমিটিতে আছে কি না । তার মধ্যে সে একজন যুবদলের দক্ষ ও নিবেদিত কর্মী ছিলেন । সে নিজেকে আত্ম রক্ষার জন্য সে ফেসিষ্ট আওয়ামীগ এ যেগদান করে। তবে কেরন খাল ইউনিয়নের সাধারণ জনগনের সেবা নিতে সুবিধা হয়, যাদের উপর দায়িত্ব দিলে ভালো হবে এমন ব্যাক্তিদের কে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে প্রসাশনের সাথে আলাপ করে আমরা তাকে বসানোর জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে প্যানাল চেয়ারম্যান সেলিম এর মোঠুফোনে বক্তব্য নিতে চাইলে একাধীকবার ফোন করে পাওয়া যায় নি তাই তার বক্তব্যে নেওয়া সম্বব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো আশরাফুল হক বলেন এ বিষয়ে আমার নিকট লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি তবে লিখিত অভিযোগ পাইলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/