গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পশ্চিম খন্ড এলাকায় জমি নিয়ে বিরুধের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের মৃত শাহজালালের ছেলে ও মো: শওকত আলী ও কেওয়া পশ্চিম খন্ড এলাকার আইনাল হকের ছেলে জালাল উদ্দিন, মৃত মোশারফ
হোসেনের ছেলে মো: মনির হোসেন (মুক্তার) এর মধ্যে শ্রীপুর থানার ৭নং কেওয়া মৌজাস্থিত এস.এ
৮৮৯, আর.এস ১৩৬৬ নং খতিয়ানে সাবেক ও এস. এ দাগ ৪৩৩, ৪৩৫, আর.এস ৯৫৬,৯৬৭ নং দাগে ৩৫ শতাংশ জমি এই বিরুধ চলছে।
এ বিষয়ে মোঃ শওকত আলী বলেন আম মোক্তার
নামা দলিল মূলে মালিক হয়ে তফসিলী জমি ভোগ দখল করিয়া আসেতেছি। আমার নামে রেজিস্ট্রি করে জমিতে আমি সাইনবোর্ড লাগিয়েছি এবং পিলার গেড়েছি যদি জালাল গং রা সঠিক কাগজ থাকে তাহলে আমি তাদেরকে সসম্মানে জমি দিয়ে চলে আসবো আর যদি তাহাদের জমির সঠিক কাগজ না থাকে তাহলে আমাকে যেন কোনোভাবে হয়রানি না করেন এটাই আমার দাবি। আমি যে জমিটি ক্রয় করেছি সেই জমিটি সঠিক কাগজ পত্র দেখেই ক্রয় করেছি , বিগত ২৪/০৪/১৭ ইং তারিখে ৬৩৪৮নং আম মোক্তার
নামা দলিল মূলে মালিক হয়ে তফসিলী জমি ভোগ দখল করিয়া আসেতেছি।
এই ব্যাপারে জালাল উদ্দিন জানান, এই জমি ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ ইং থেকে আপোষ বন্টননামা দলিল মূলে আমি মালিক। মোঃ শওকত আলীর দলিলের আগে আমার দলিল রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে। তাও আইনে যদি শওকত আলী জমি পান। তাহলে স্বেচ্ছায় আমি জমি দিয়ে দেব।
অন্যদিকে মোঃ মনির হোসেন মুক্তার বলেন , মোঃ শওকত আলী ও জালাল উদ্দিনের মধ্যে যে জমি নিয়ে বিরোধ,৷সেই জমির পাশে আমার
মালিকানাধীন জমিতেও মোঃ শওকত আলী বিরুধের জমিতে পিলার লাগানো সময় পিলার ও সাইনবোর্ড লাগিয়েছে আমার দখলিও জমিতে ।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন মন্ডল বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্তে সাপেক্ষে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
https://slotbet.online/