খুলনা জেলা বটিয়াঘাটা উপজেলার ১ নং জলমা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড তারা বসবাস করে মর্মে জানাযায়। সেখানে খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি কর্তৃক ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা চাওয়ায় ভুক্তভোগীরা বলে আমরা বিএনপি পরিবার আমরা কেন চাঁদা দেবো এখন। এ কথার জবাবে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের নামে ফুলতলা থানায় শেখ হাসিনার সাথে আসামি করে মামলা করে। এ ব্যাপারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিষয়টি লিখিতভাবে অভিযোগ প্রদান করে ভুক্তভোগী পরিবার।
প্রেস ব্রিফিং এ বলেন, খুলনা জেলা বটিয়াঘাটা ১ নং জলমা ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ডের বিএনপি’র কমিটির ৪৬ নং সদস্য মোঃ বাদশা সানা ও তার আপন ভাই রুহুল সানা ক্রীড়া সম্পাদ তারা প্রমানসহ জানান আমরা দুই ভাই কমিটিতে বহু বছর ধরে বিএনপি’র রাজনীতির সাথে থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছি। বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বহু হামলা মামলার নির্যাতনের শিকার হয়ে আসচ্ছি এবং সেসব নির্যাতনের মোকাবেলা করে ষোলটি বছর পার করেছি।সম্প্রতি ৫-ই আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হলে নিঃশ্বাসের স্বস্তি পেলেও বাস্তব জীবনে আমরা রয়েছি বড় অসহায় অবস্থায় ও জীবননাশের হুমকিতে। ৫ ই আগস্ট এর পর ১০/০৮/২০২৪ই তারিখ
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি আমাকে উক্ত মোবাইল নাম্বার দিয়ে ০১৯১৩৯২২৪৮১ ফোন করে বলেন খুলনা পার্টি অফিসে দেখা করতে। সেখানে গেলে আমাকে ১০ লক্ষ টাকা দিবি তা না হলে তোর জমিটা দখল ছেড়ে দিবি।
উক্ত জমি ২০২৩ সালে আমাদের ক্রয়কৃত। সেই জমি ছেড়ে দিতে ছেড়ে দিতে বলে। আমি তা করতে অস্বীকৃতি জানালে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে বলে তোকে আমি দেখে নিব কিভাবে ঐ জমি ভোগদখল করিস। গত ২৯-৮-২০ তারিখে ফুলতলা থানায় মনিরুল হাসান বাপ্পি, বাদী হয়ে শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে,৮৬ জনের নাম সহ অজ্ঞাত ৪০০ জন কে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। যে মামলাতে আমি মোঃ বাদশা সানা ও আমার ভাই মোঃ রুহুল সানাকে ৭০ নং ও ৭১ নং আসামি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি বিএনপি’র ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুলিপি প্রদান করি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী,
খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম, কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারি হেলাল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি রকিবুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খুলনা বিভাগ বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু সহ সকলের কাছে বিষয়টি নিয়ে সুস্থ তদন্ত করে এর বিহত ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানাই।
এবং উক্ত ব্যাপার নিয়ে আমরা পারিবারিকভাবে বইটাঘাটা প্রেসক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করি।
https://slotbet.online/