• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব নিলেন অ্যাড. এম এ মজিদ বিরলের পল্লীতে জমি-জমার বিরোধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নেছারাবাদে বন্ধুকে মাথাবিচ্ছিন্ন করে হত্যা গ্রেপ্তার ২ জমকালো আয়োজনে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন ও পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির ১ম বৈঠক অনুষ্ঠিত পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম কৃষকদল নেতার মৃত্যু: ঝিনাইদহে লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ, স্ট্রোকের দাবি জামায়াতের বিরলে ০৮ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ছাত্রনেতার যৌথ উদ্যোগে ৫০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ সখীপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার আসামি অন্তর আহমেদ গ্রেপ্তার

বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মামলা হলো ১০ বছর পর, আসামি হলেন সাবেক যুবদল নেতা

Reporter Name / ১১৯ Time View
Update : রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৪

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া অন্তত দশ বছর আগে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় ৩৪ জনকে চিহ্নিত এবং ৮-৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) পৌর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মো. মিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ভান্ডারিয়া থানায় মামলাটি করেন।

 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি জেপি এবং যুবদলের একজন সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ককেও আসামি করা হয়েছে।

 

এতে প্রধান আসামি করা হয়- উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফায়জুর রশিদ খসরু জোমাদ্দারকে এবং দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে উপজেলা জাতীয় পার্টি জেপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদারকে, ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি টিপু তালুকদারকে। বাদ যায়নি জাতীয় যুবসংহতি ও জাতীয় ছাত্র সমাজ নেতাকর্মীসহ যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সামজিদ মিয়ার নামও। উপজেলা যুব সংহতি (জেপি) সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন সরদারকে ৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সামজিদ মিয়া বেগম খালেদা জিয়াকে ‘মা’ সম্মোধন করে বলেন,‘আমি প্রথমে ছাত্রদল করেছি। পরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছি। আর এখন আমাকেও বিএনপির অফিস ভাঙচুরের আসামি করা হয়েছে। আমার অফিস আমি কীভাবে ভাঙব!’

 

মামলার ১১ নম্বর বিবাধী মো. রাজিব আকন বলেন, ‘২০১৪ সালে আমি স্কুলছাত্র ছিলাম। স্থানীয় বিএনপির এক নেতার সঙ্গে পারিবারিক কলোহের জেরে আমাকে এবং ১৬ নম্বর বিবাধী জিয়া হায়দার মিঠু ভাইকে আসামি করা হয়েছে। জিয়া হায়দার মিঠু ভাই সুশীল সমাজের লোক। দুই যুগের বেশি সময় ধরে রাজধানীতে ব্যবসা করছেন। তিনি কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি ঢাকাতেই থাকেন, এখানে এসে বিএনপির অফিস ভাঙার প্রশ্নই আসে না।’

 

উপজেলা জাতীয় পার্টি জেপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম উজ্জল তালুকদার বলেন, ‘বিএনপিও আওয়ামী লীগের মতো শুরু করেছে। পূর্বে যারা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীর নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়েছে, এ মামলাটি সেরকরম একটি মামলা। কোন অদৃশ্য ছায়ায় এসব মামলা হচ্ছে, অবশ্যই একসময় তা প্রকাশ পাবে।’

 

মামলার বাদী মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘তৎকালীন ওসি মামলা নেয়নি, তাই এতদিন পর মামলা করা হয়েছে। ভুলবশত কারও নাম মামলায় অর্ন্তভুক্ত হলে পরবর্তীতে সেটা বাদ দেওয়া হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/