আবু বকর সিদ্দিক স্বপন, ক্রাইম রিপোর্টার।
৪ আগস্ট ২০২৪ ইং তারিখ রোজ রবিবার সকাল ১১ টা থেকে শুরু হয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সংহতি। এই আন্দোলন চলাকালীন দুপুর ২ থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেজবুক যোগাযোগ মাধ্যম। আন্দোলনে তাদের দাবি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ। হাজার হাজার আন্দোলন কারীদের মুখের স্লোগান ছিলো, ছি ছি ছি হাসিনা লজ্জায় বাচিনা। এই স্লোগানে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা দিকে দলবদ্ধ ভাবে মিছিল করতে করতে যায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কারীরা।
মিছিলের মাঝেই ঝিনাইদহ শহরে আওয়ামী লীগের যত ধরনের ব্যানার, ফেষ্টুন ছিলো সেগুলো ভাঙচুর করতে করতে যান। এই ভাঙচুড়ে পুলিশ বাধা দিলে আন্দোলন কারীদের মধ্য থেকে ইট ছুড়লে সেটা পুলিশের মাথায় আঘাত লাগে। ফলে, পুলিশ বাহিনী পাল্টা ধাওয়া করে। এতে করে সারা ঝিনাইদহ শহর জুরে প্রায় ২৫ জন আন্দোলন কারী আহত হন। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার শেষ মুহূর্তে এসে ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাস ষ্ট্যান্ডের মুজিব মোড়ের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের মুর্তি ভাঙচুর করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন কারীরা।
শুধু ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় নয়,এই আন্দোলন পার্শ্ববর্তী উপজেলা কোটচাঁদপুর ও মহেশপুরেও এই আন্দোলন হয়। জানা গেছে, সারা বাংলাদেশে এই সমাবেশ আন্দোলনে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন।
https://slotbet.online/