শ্রীপুর উপজেলার বরমীতে লাইসেন্স বিহীন চলছে করাত কল, প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না।
নেই কোন কাগজপত্র, প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন না মিল মালিক পক্ষের কোন লোক।
তৈরি করেছেন স’মিল মালিক সমিতি। যার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে উপর মহল?
শ্রীপুর ফরেস্ট রেঞ্জার মোকলেছুর রহমানের সাথে কথা বলে জানা যায় বরমীতে মোট উনিশটি করাত কল আছে। তাদের কোন মিলের লাইসেন্স নেই, নেই কোন কাগজপত্র। এরমধ্যে ১৪ টি মিলের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হলেও মিলগুলো চলমান আছে, কিছু মিলের যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে আসলেও, মিল মালিকগন প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে, নতুন যন্ত্রাংশ কিনে মিল পুনরায় চালু করেছে বলে জানা যায়। ফরেস্ট রেঞ্জার বলেন সে আর কোন তথ্য দিতে পারবে না, উপর মহল তার মুখ তালাবদ্ধ করে রেখেছে।
২০১২ সনের ২৭ মে রবিবার এর আইন অনুযায়ী
লাইসেন্স বিহীন করাত কল, পরিচালনার বিধিমালা আমলে নিচ্ছেন না কেউ।
কথিত মিল মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ারের কাছে, গনমাধ্যম কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে অন্যত্র পালিয়ে চলে যায়।
এমনি কথিত মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিলনকে মোবাইলে কল দিলে সে জানায় আপনারা যা পারেন করে দেখান, আমরা সব যায়গা ম্যানেজ করেই মিল চালাচ্ছি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়
অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে আবদ্ধ সমস্ত, স’মিল বাণিজ্যিক স্থাপনা
ভড়হর মারুলিয়া পাড়ায় একি স্থানে, পাশাপাশি চারটি করাত কল থাকলেও তিনটি চলমান।
অপরটি তথ্য নিয়ে জানা যায় কোন এক মহলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এ বিষয়েও ফরেস্ট রেঞ্জার মোকলেছুর রহমান মুখ খুলতে রাজি না।
এলাকাবাসী আরো জানায় বন বিভাগের অগোচরে,
কেটে নিয়ে যাচ্ছে গাছ।
এমনকি শাল কাট কাটা হচ্ছে রাতের আঁধারে, দিনের বেলাতেও তার সত্যতা মিলেছে জ্বালানির উপর ভিত্তি করে।
বন বিভাগের পারমিশন, টিবি, কাগজ ছাড়াই চলছে এলাকার কাঠ বাণিজ্য।
বড় ধরনের একটা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বন বিভাগ থেকে রাজস্ব।
তথ্য সংগ্রহ চলমান…
https://slotbet.online/