• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কোটচাঁদপুরে ৩৯ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ​পল্টন মোড় থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা ডিএসসিসির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্রেণিকক্ষে পাঠালেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী দেবিদ্বারে বন্ধকী জুট মিলের যন্ত্রাংশ পাচারের চেষ্টা, ২ ট্রাকসহ গ্রেপ্তার ৮ বিরলে হাঁস-মুরগী ও শুকর লালন পালন বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন রাবি বিএনসিসির প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের অপর্ণা ১৮ মাস পর নিখোঁজ কিশোরী নিঝুম হত্যা রহস্য উদ্ঘাটন, আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি দেবিদ্বারে মা-ভাতিজিকে হত্যার দায় স্বীকার, আদালতে ইমনের জবানবন্দি শিক্ষার মান উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার….সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক এমপি ঝিনাইদহে শিশু হত্যার দায়ে একমাত্র নারী আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সীমার বিরুদ্ধে এবার ভারতের আদালতে পাকিস্তানি স্বামী

Reporter Name / ৪৩৯ Time View
Update : রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪

খবর জনতা ডেস্ক:

প্রেমের টানে সন্তানদের নিয়ে ভারতে চলে এসেছেন পাকিস্তানি বধূ সীমা হায়দার। এরপর বিয়েও করেছেন ভারতীয় যুবক সচিন মীনাকে। কিন্তু সীমাকে ফেরত পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পাকিস্তানি স্বামী। এবার ভারতের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

সীমার পাকিস্তানি স্বামীর নাম গুলাম হায়দার। মোমিন মালিক নামে এক আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি নয়ডার আদালতে মামলা করেছেন। সীমা ও তার বর্তমান স্বামী সচিন মীনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তিনি।

গুলামের আইনজীবী ১৫৬(৩) ধারায় মামলা করেছেন। এই ধারার মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দেয়া যায়।

পাবজি খেলতে গিয়ে সচিনের সাথে পরিচয় হয়েছিল সীমার। এমনটাই দাবি করা হয়। এরপর সচিনের প্রেমে হাবুডুবু খান তিনি। এরপর পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার সিদ্ধান্ত। একেবারে চার সন্তানকে নিয়ে তিনি অবৈধ রুটে ভারতে চলে আসেন। তিনি সচিনকে বিয়েও করেন। কিন্তু সীমার সাবেক স্বামী ভারতের আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। এবার মামলা করলেন তিনি।

তার আইনজীবীর দাবি, সীমা গুলামের কাছ থেকে ডিভোর্স না নিয়েই এসব করছেন। সেক্ষেত্রে যেহেতু ওই নারী ডিভোর্স নেননি সেক্ষেত্রে এই বিয়ে পুরো অবৈধ। এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

ওই আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, সীমা গুলাম হায়দারকে তার স্বামী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন জামিন পাওয়ার জন্য। তাকে যখন অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল তখন তিনি এই দাবি করেছিলেন। আবার সেই সীমাই প্রকাশ্যে বলছেন সচিন তার স্বামী। এটা কিভাবে সম্ভব হতে পারে? কারণ তিনি তার আগের স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স নেননি। তারপরেও কিভাবে তিনি ওই দাবি করতে পারেন!

ওই আইনজীবীর দাবি, ১৮ এপ্রিলের মধ্যে একটি রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নয়ডার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ জুলাই নয়ডা পুলিশ হরিয়ানার বল্লভগড় থেকে সচিন ও সীমাকে গ্রেফতার করেছিল। ফরেনার্স অ্যাক্টের সেকশন ১৪ অনুসারে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। আইপিসি সেকশন ১২০ বি অনুসারে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে ৭ জুলাই তারা জামিন পেয়েছিলেন।

এদিকে, সচিনের বাবাকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পান।

গুলামের আইনজীবীর দাবি, সীমা আগের স্বামীর থেকে ডিভোর্স নেননি। তারপরেও তিনি সচিনের সাথে থাকেন।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/