• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

কলারোয়ায় আমের মুকুলে চাষীদের বাম্পার ফলনের আশা

আসাদুজ্জামান আসাদ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ / ৮৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় আমগাছের বাগানের পর বাগান, বাগানজুড়ে এখন শুধু মুকুলের সমারোহ। আমের পাতার ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে আমের মুকুল। বাগানের মৌ মৌ গন্ধে মন জুড়াচ্ছে বাগানির ও আমচাষিদের। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দুই সপ্তাহ আগেই গাছে এসেছে মুকুল। ফলে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে । উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কলারোয়ায় ৬৫৮ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ১৮৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতভিত্তিক চাষের মধ্যে হিমসাগর ৩৩০ হেক্টর, ল্যাংড়া ১০৪ হেক্টর, আম্রপালি ১৫৬ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৫২ হেক্টর এবং অন্যান্য জাত ১৬ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। কৃষি অফিস আরও জানায়, এবার ‘অন ইয়ার’ বা বেশি ফলনের বছর হওয়ায় প্রায় সব গাছেই মুকুল এসেছে। গড়ে প্রায় ১০০ শতাংশ গাছে মুকুল দেখা গেছে প্রায় অর্ধেক গাছে গুটি এসেছে । কুয়াশা কম থাকায় মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক হারে মুকুল এসেছে। গাছে থাকা মুকুল যাতে ঝরে না পড়ে, সে জন্য কীটনাশক স্প্রে, সেচসহ বিভিন্ন পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের একাধিক আমচাষিরা জানান, “এবার গাছের অবস্থা বেশ ভালো। আমরা নিয়মিত বাগান পর্যবেক্ষণ করছি এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যা করছি। মুকুলের পরিমাণ দেখে মনে হচ্ছে ফলন সন্তোষজনক হবে। আবহাওয়া সহায়ক থাকলে ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে।”
আমচাষিরা আরোও বলেন, “এ বছর এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। গাছে প্রচুর মুকুল এসেছে এবং দ্রুত গুটি বের হচ্ছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বেশির ভাগ গাছে গুটি দেখা যাবে। আশা করছি বাম্পার ফলন হবে। তবে বেশি ফলন হলে দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।”

কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এস. এম. এনামুল ইসলাম বলেন, “যারা নিয়মিত পরিচর্যা করেছেন, তাদের গাছে মুকুল বেশি এসেছে এবং তা টিকেও আছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।”
কলারোয়া উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোঃ জিয়াউল হক জানন ” GAP ( উত্তম কৃষি চর্চা) অনুসরণ করে নিরাপদ আম উৎপাদনের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সকল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সহ সমস্ত কৃষি বিভাগ পুরো মাত্রায় কাজ করে যাচ্ছে “।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারব্যবস্থা ও সংরক্ষণ সুবিধা জোরদার করা গেলে এ বছর কলারোয়ার আম চাষীদের মুখে হাসি ফুটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/