• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সামনেই সাংবাদিকদের পেটালেন সন্ত্রাসীরা ঝিনাইদহ টু চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কে আলমসাধু উল্টে নিহত ১, আহত ৩ নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন প্রিন্ট সংস্করণ প্রকাশে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাঠক-শুভানুধ্যায়ীদের গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের বেনিফিসিয়ারি বিএনপি গাদ্দারি করছে- মিয়া গোলাম পরওয়ার দুদকের তদন্তে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ- আদালতে ব্যাখ্যা দিলেন তদন্ত কর্মকর্তা শহীদ আবু সাঈদকে স্মরণে কলারোয়ায় জামায়াতের র‍্যালি ও আলোচনা সভা লোকগীতিতে সারা দেশে প্রথম, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বর্ণপদক পেল সখীপুরের অনয়া ​বারবার সতর্কতার পরও অবহেলা: এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫ মামলায় ৩১ হাজার টাকা জরিমানা ডিএসসিসির ঝিনাইদহে পুলিশের অভিযানে আটক, পরে মুক্তি—এএসআইয়ের বক্তব্য ঘিরে প্রশ্ন

লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস, ভাইবা দিতে এসে ৯ পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড

আসাউজ্জামান জুয়েল: / ৭৯ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা খেয়েছেন ৯ পরীক্ষার্থী। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাঁদের আটক করা হয়। ভাইভা দিতে এসে জালিয়াতি ধরা পড়ায় তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হোসেনপুর উপজেলার মোঃ জালাল উদ্দিনের ছেলে মোঃ নিজাম উদ্দিন, পাকুন্দিয়া উপজেলার রজব আলীর ছেলে পিয়াস, হোসেনপুর উপজেলার সেলিমের ছেলে সাব্বির, পাকুন্দিয়া উপজেলার মোস্তফার ছেলে মেহেদী, মিঠামইন উপজেলার আবুল কালামের ছেলে শফিকুল, ইটনা উপজেলার রবি হোসেনের ছেলে নজরুল, তাড়াইল উপজেলার জিলু মিয়ার ছেলে জসিম, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাহিমা আক্তার, তাড়াইল উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে ফয়সাল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাইভা বোর্ডে আসার পর সব পরীক্ষার্থীদের মতো তাঁদের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেন যে তাঁরা নিজেরা পরীক্ষা দেননি। অন্যদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস করেছেন।

জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান, রিয়াদ হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৯ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, তাদের হাতের লিখা যাচাই করার সময় তারা স্বীকার করে প্রক্সির মাধ্যমে তারা লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীন হয়েছে। পরে তাদের ১৫ দিনের করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। সকল তথ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দেয়া হয়েছে এই কাজের সঙ্গে কারা জড়িত খুঁজে বের করার জন্য। এটার শেকড় কোথায় কে বা কারা জড়িত সব বের করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
https://slotbet.online/