আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল–১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এর প্রার্থীদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার এবং চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আব্দুল আজিজ এর প্রচারনা ভোটারদের মনে স্থান করে নিয়েছে। এ ছাড়া মাঠে আছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী আ: রহমান।
সাংগঠনিক ভিত্তি এবং ব্যক্তি ইমেজের কারনে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার অন্য প্রার্থীদের থেকে সুবিধাজনক অবস্থায় আছেন বলেন অভিজ্ঞমহল মনে করেন।
গত ৩ জানুয়ারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে নড়াইল-১ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আব্দুল আজিজ এর মনোনয়ন পত্রে বিভিন্ন অসংগতি থাকার কারনে বাতিল বলে ঘোষিত হয়েছে।
নড়াইল–১ এ আসনটি কালিয়া উপজেলা, একটি পৌরসভা এবং নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া, বিছালী, সিঙ্গাশোলপুর, সেখহাটী ও ভদ্রবিলা—এই পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে। জনসংখ্যা ও ভোটার সংখ্যার দিক থেকে আসনটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও নড়াইল সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার বিগত দিনের নড়াইল সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। এ তার তার সততা ও দক্ষতার কারনে তার একটি নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন। এ ছাড়া বিগত দিনের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী কালিয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন নড়াইল-১ আসনের জামায়াতের নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।যারা আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী আব্দুল আজিজ বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিলের পর বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহন করবো। তিনি বলেন, এ বারের নির্বাচনে মানুষ ১১ দলীয় জোটকে ভোটদানের জন্য ব্যাপক ভাবে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও নড়াইল সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন যাবত সাধারন মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আগামী নির্বাচনের সাধারণ মানুষ ১১ দলীয় এর জোটের প্রার্থী হিসেবে দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেওয়ার অপেক্ষা করছেন। যেখানে যাচ্ছি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।
https://slotbet.online/