বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস এসোসিয়েশন (বিজেএসএ) এর ২০২৬ মেয়াদের নির্বাহী কমিটি নির্বাচনে সদস্য পদে নির্বাচিত হয়ে ঠাকুরগাঁও জেলার জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন ঠাকুরগাঁও লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ) মো. মজনু মিয়া।
মঙ্গলবার ২-রা ডিসেম্বর দিনব্যাপী ই-মেইলের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র জেলা জজ মো. নূরে আলম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
বিজেএসএ-এর এ নির্বাচনে মোট ২ হাজার ১৩৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৮৯০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। মোট ভোটের প্রায় ৮৮ শতাংশ উপস্থিতি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে অন্যতম অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিজয়ী হওয়ার পর মো. মজনু মিয়া তার সহকর্মী বিচারকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষা, পেশাগত উন্নয়ন এবং সেবার মান বাড়ানোর জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার সংকল্প ব্যক্ত করেন।
নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় মো. মজনু মিয়া বলেন, “সহকর্মীদের বিশ্বাস ও সমর্থনের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব শুধু সম্মান নয়, বরং আরও বড় এক দায়বদ্ধতা। বিচার বিভাগের পেশাগত উন্নয়ন, নৈতিক মান রক্ষা এবং সেবার মান বাড়ানোর জন্য আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই।”
এছাড়াও ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি বিশেষ ভালোবাসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি আমার বিশেষ ভালোবাসা আছে। তাদের বিশ্বাসকে শক্তি হিসেবে নিয়েই আমি সামনে এগোব।”
ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তার এই সাফল্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম বলেন, “মজনু স্যার যে নির্বাচিত হয়েছেন, এটা আমাদের ঠাকুরগাঁওয়ের জন্য অত্যন্ত গর্বের ব্যাপার। তিনি এখানকার মানুষকে খুব কাছ থেকে বোঝেন। আশা করি, নতুন দায়িত্বে থেকেও জেলার মানুষের কথা মাথায় রাখবেন এবং আমাদের জন্য কাজ করবেন।”
সরকারি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, “লিগ্যাল এইডের কাজে আমরা স্যারের আন্তরিকতা দেখেছি। এত বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। এতে সাধারণ ও বিচারপ্রার্থী মানুষের উপকার আরও বাড়বে বলে মনে করি। মজনু স্যারের নির্বাচিত হওয়া তরুণ সমাজকেও অনুপ্রাণিত করবে। পরিশ্রম করলে যে স্বীকৃতি আসে—এটাই তার বাস্তব উদাহরণ।”
তার এই বিজয় বিচার বিভাগের পেশাগত মানোন্নয়ন ও বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের সেবার মান বৃদ্ধিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
https://slotbet.online/